টোকিও অলিম্পিকে মীরাবাঈ চানুর রুপো উন্নীত হতে পারে সোনায়, সম্ভাবনা জোরালো
টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ভারোত্তোলনে সোনাজয়ী চিনের হাউ জিহুইকে ডোপ টেস্ট দিতে হবে। ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হলে অলিম্পিকে ৪৯ কেজি বিভাগের সোনাটি পেয়ে যাবেন মীরাবাঈ চানু। সবমিলিয়ে ২১০ কেজি ভার তুলে সোনা জিতেছিলেন হাউ। গড়েছিলেন অলিম্পিকের নতুন রেকর্ড। জানা গিয়েছে, তাঁকে ডোপ পরীক্ষার জন্য টোকিও ছাড়তে বারণ করা হয়েছে আপাতত। ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হলেই চানুর দখলে আসবে সোনা।

ডোপ টেস্টে সোনাজয়ী
নিয়ম অনুযায়ী কোনও পদকজয়ী যদি ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হন তবে তাঁর পরবর্তী স্থানে যিনি থাকেন তিনি সেই পদকটি পান। ফলে জিহুই যদি ডোপ পরীক্ষায় কোনওভাবে উত্তীর্ণ হতে না পারেন তাহলে সেই সোনাটি পেয়ে যাবেন চানু। সূত্রকে উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা এএনআই দাবি করেছে, চিনের সোনাজয়ীকে আপাতত টোকিওতে থেকে যেতে বলা হয়েছে। ডোপ পরীক্ষা হবে।

পদক বদলের সম্ভাবনা
এবারের অলিম্পিকে ভারতের একমাত্র পদকটি জিতেছেন মীরাবাঈ চানুই। ২১ বছর পর ভারোত্তোলনে অলিম্পিক পদক পেয়েছে ভারত। ২০০০ সালে কর্ণম মালেশ্বরী ব্রোঞ্জ জেতার পর অলিম্পিকে এই চানুর রুপো। এ ছাড়া ভারোত্তলনে আর কোনও পদক আসেনি। চানুর সেই ঐতিহাসিক সাফল্যই উন্নীত হতে পারে কাঙ্ক্ষিত সোনায়। মালেশ্বরী সিডনি অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মহিলাদের ৬৯ কেজি বিভাগে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ২ কেজি ওজন কমিয়ে চানুকে ইভেন্টে নামতে হয়েছিল উপোস করে। ওজন কমাতে শর্করাজাতীয় খাবার বাদ পড়েছিল খাদ্যতালিকা থেকে।

ভারোত্তোলনে পদকজয়ীরা
স্ন্যাচে ৮৭ কেজি ও ক্লিন অ্যান্ড জার্কে চানু তোলেন ১১৫ কেজি, মোট ২০২ কেজি। অন্যদিকে চিনের জিহুই স্ন্যাচে ৯৪ কেজি ও ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১১৬ কেজি তুলে নতুন অলিম্পিক রেকর্ড গড়েন এবং সোনা জেতেন ২১০ কেজি ভার তুলে। সবমিলিয়ে ১৯৪ কেজি জিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন উইন্ডি কান্তিকা আইসাহ।












Click it and Unblock the Notifications