রুপোকে সোনায় উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েই টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধু-গর্জন

সাইনা নেহওয়াল টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণের ছাড়পত্র পাননি। করোনা পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকটি ইভেন্ট স্থগিত বা বাতিল হওয়ার কারণেই মেলেনি টিকিট। কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক বা দেশের অলিম্পিক সংস্থা সকলেই নিশ্চিত এবার টোকিও থেকে রেকর্ড সংখ্যক পদক জিতবে ভারত। মহিলাদের ব্যাডমিন্টনে ভারতের যাবতীয় আশা রিও অলিম্পিক্সে রুপোজয়ী পিভি সিন্ধুকে নিয়ে।

অলিম্পিকে সিন্ধু গর্জন

অলিম্পিকে সিন্ধু গর্জন

২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন সিন্ধু। ক্যারোলিনা মারিনের কাছে সিন্ধু পরাস্ত হন ২১-১৯, ১২-২১, ১৫-২১ ব্যবধানে। টোকিও অলিম্পিক থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মারিন। ইয়ামাগুচি, ওকুহারা-সহ কয়েকজন বিশ্বমানের শাটলার রয়েছেন। তা সত্ত্বেও সিন্ধু-গর্জনে রিও অলিম্পিকের রুপোজয়ী এবারের অলিম্পিকে তাঁর পদককে সোনায় উন্নীত করতে পারবেন, এই আশায় প্রহর গুনছে ভারত।

একনজরে উত্থান

একনজরে উত্থান

পুসারালা ভেঙ্কট সিন্ধুর জন্ম ১৯৯৫ সালের ৫ জুলাই। তাঁর বাবা-মা দুজনেই ভলিবল খেলোয়াড় ছিলেন। এমনকী তাঁর পিতা পি ভি রামান্না ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০০০ সালে অর্জুন পুরস্কার পান। সিন্ধুর দিদি দিব্যারাম পুসারালা জাতীয় পর্যায়ের হ্যান্ডবল খেলোয়াড়। ছোটবেলায় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও পিভি সিন্ধু ব্যাডমিন্টন শেখা শুরু করেন আট বছর বয়স থেকে। পরে তাঁর প্রতিভার বিকাশ ঘটে পুল্লেলা গোপীচাঁদের আকাদেমিতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুবাদে। ২০১২ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশনের বিশ্ব ক্রমতালিকার প্রথম ২০-তে ঢুকে পড়েন সিন্ধু।

বর্ণময় কেরিয়ার

বর্ণময় কেরিয়ার

প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনি অলিম্পিক ব্যাডমিন্টনে রুপো জেতেন। ২০১৭ সালের এপ্রিলে কেরিয়ারে বিশ্ব ক্রমতালিকায় দুইয়ে উঠে এসেছিলেন। ২০১৩ সাল থেকে প্রতিটি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জয় বাড়াতে থাকে তাঁর আত্মবিশ্বাস। মাঝে ২০১৫ সালে অবশ্য কোনও পদক পাননি। ঝাং নিনের পর দ্বিতীয় শাটলার হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পাঁচ বা তার বেশি পদক জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন। ২০১৬-র রিও অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় শাটলার হিসেবে তিনি পৌঁছান ব্যাডমিন্টনের ফাইনালে। ২০১৬ সালেই চিন ওপেনে প্রথম সুপার সিরিজ জয়। ২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসে রুপো জেতেন।উবের কাপে জেতেন দুটি ব্রোঞ্জ। ২০১৯ সালে প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হন। ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশনের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে।

সাফল্যের স্বীকৃতি

সাফল্যের স্বীকৃতি

২০১৮ ও ২০১৯ সালে যথাক্রমে ৮.৫ মিলিয়ন ও ৫.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের ফলে ফোর্বসের বিচারে বিশ্বের ধনী মহিলা ক্রীড়াবিদদের তালিকায় নাম ছিল পিভি সিন্ধুর। ২০২০ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হওয়ার পাশাপাশি পেয়েছেন রাজীব গান্ধি খেলরত্ন ও পদ্মশ্রী সম্মানও।

পুসারালার পছন্দ

পুসারালার পছন্দ

রজার ফেডেরার ও উসেইন বোল্ট হলেন পিভি সিন্ধুর সবচেয়ে পছন্দের ক্রীড়াব্যক্তিত্ব। বিরিয়ানি, আইসক্রিম ও পিৎজা ভালোবাসলেও নিজেকে ফিট রাখতে এইসব খাবার থেকে নিজেকে দূরেই সরিয়ে রাখতে হয়। অভিনেতাদের মধ্যে সিন্ধুর পছন্দের তালিকায় রয়েছেন হৃতিক রোশন, রণবীর সিং, প্রভাস ও মহেশ বাবু। পছন্দের অভিনেত্রী প্রকাশ পাড়ুকোনের কন্যা দীপিকা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+