Brij Bhushan Sharan Singh: ব্রিজ ভূষণের অস্বস্তি বাড়ছেই, আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ দিল্লি পুলিশের
Brij Bhushan Sharan Singh: ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংকে সরতে হয়েছে ভারতের কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকে। তবে কুস্তিগীরদের দাবির প্রেক্ষিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি।
দিল্লি পুলিশের চার্জশিটে উল্লেখ ছিল ব্রিজ ভূষণের নাম। বিজেপির এই দাপুটে সাংসদের অস্বস্তি লোকসভা ভোটের আগে বাড়ল আদালতে দিল্লি পুলিশের চাঞ্চল্যকর দাবিতে।

রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াঙ্কা রাজপুতের এজলাসে এখন মামলাটি রয়েছে। আগে তা ছিল বিচারক হরজিৎ সিং যশপালের এজলাসে। তিনি অন্য কোর্টে স্থানান্তরিত হয়েছেন। যশপালই গত বছরের ২০ জুলাই ব্রিজ ভূষণ ও ভারতের কুস্তি ফেডারেশনের সাসপেন্ডেড সচিব বিনোদ তোমরের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার নতুন করে শুনানি শুরু হলেও হাজির ছিলেন না ব্রিজ ভূষণ শরণ সিং। সামাজিক কারণ উল্লেখ করে তিনি আদালত থেকে অনুমতি নিয়েই গরহাজির ছিলেন। অবশ্য তাঁর আইনজীবী আদালতে ছিলেন। দিল্লি পুলিশের আইনজীবী একের পর এক ঘটনার উল্লেখ করে আদালতকে জানালেন কীভাবে ব্রিজ ভূষণ লাগাতার হুমকি দিয়েছেন, চুপ থাকতে বলেছেন অভিযোগকারী কুস্তিগীরদের।
মহিলা কুস্তিগীররা ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার যে অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেছিলেন তাতে দিল্লি পুলিশের বক্তব্যে কার্যত মান্যতা পেল কুস্তিগীরদের অভিযোগই। দিল্লি পুলিশের আইনজীবী অতুল শ্রীবাস্তব আদালতকে জানান, ব্রিজ ভূষণ কুস্তিগীরদের বলেছিলেন কুস্তি চালাতে গেলে চুপ থাকতে হবে। আমি যেমন কারও কেরিয়ার গড়তে পারি, তেমন শেষও করে দিতে পারি।
ব্রিজ ভূষণের এমন হুমকি দেওয়া সংবিধানের ৫০৬ ধারা অনুসারে ফৌজদারি অপরাধ বলেও আদালতে সওয়াল করেন দিল্লি পুলিশের আইনজীবী। ব্রিজ ভূষণ এক নাবালিকা কুস্তিগীরের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, ধুতি পরলে তাঁকে কেমন দেখায়? এহেন প্রশ্নের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে আদালতে।
বিনোদ তোমরের ঘরে পুরুষ কুস্তিগীরদের প্রবেশাধিকার ছিল না, শুধু প্রবেশ করার অনুমতি ছিল মহিলাদের জন্য। তাতেই তাঁর উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে যায় বলে আদালতকে জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের আইনজীবী। ব্রিজ ভূষণ এক মহিলা কুস্তিগীরের সঙ্গে আলিঙ্গন করেছিলেন। পরে বলেছিলেন, ফাদার ফিগার হিসেবেই তিনি এমন আচরণ করেছেন।
দিল্লি পুলিশের আইনজীবীর দাবি, এই বক্তব্য থেকেই পরিষ্কার ব্রিজ ভূষণের অপরাধমনস্কতা, তিনি সচেতন থেকেই এ কাজ করেছিলেন। তা না হলে কোন তিনি আলাদা করে ফাদার ফিগারের কথা বলে ব্যাখ্যা দিতে গেলেন? উল্লেখ্য, এই মামলায় সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক হরজিৎ সিং যশপাল রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন। এবার অন্য এজলাসে শুনানিতেও ব্রিজ ভূষণের অস্বস্তি বাড়ছে। দিল্লি পুলিশ গত বছরের ১৪ জুন ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধেই চার্জশিট জমা দিয়েছিল। ৩৫৪, ৩৫৪এ, ৩৫৪ডি, ৫০৬-এর মতো ধারা যোগ করে।












Click it and Unblock the Notifications