টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হল মহিলাকে, আরেক লজ্জার ঘটনা এই রাজ্যে
আরজি করের ঘটনায় প্রতিবাদ মুখর সারা দেশ। বাংলায় নারীরা কতটা নিরাপদ? সেই প্রশ্নও উঠেছে৷ তার মধ্যেই আবার মহিলা নিগ্রহের ঘটনার অভিযোগ। এবার নন্দীগ্রামে। রাজনৈতিক নাকি ব্যক্তিগত? তাই নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
আরজি করে মহিলা চিকিৎসক খুনের ঘটনায় প্রতিবাদে মুখর বাংলার মানুষ। রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানানো হচ্ছে। এর মধ্যে আবারও মহিলা নিগ্রহের ঘটনা ঘটলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে। মহিলা নিগ্রহের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে বলে খবর।

নন্দীগ্রাম বিধানসভার গোকুলনগরে একটি ভিডিও ছড়িয়েছে। ওই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে এক মহিলাকে চুলের মুটি ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে খোলা রাস্তায়। মহিলার শরীরে রয়েছে একাধিক আঘাতের চিহ্ন। পরে মহিলাকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর ওই মহিলাকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ইতিমধ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিষয় ঘিরে দুই পরিবারের মধ্যে চরম বিবাদ চলছে। দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি।
ওই মহিলার চুলের মুটি ধরে রাস্তায় টেনে আনা হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয়েছে মহিলার বাড়ি। পরিবারের পক্ষ থেকে রাজনীতিগত কারণকেই প্রধান ইস্যু করা হয়েছে। অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতা কর্মীদেএ ওপর। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।
বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি, এই ঘটনা সম্পূর্ণ পারিবারিক। রাজনীতির রং লাগিয়ে নন্দীগ্রামের বুকে বিজেপিকে দুর্নাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বদের দাবি, রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তার ব্যাপার নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত করছে বিরোধী দল বিজেপি। সেই জায়গায় বিজেপির জেতা নন্দীগ্রামে মহিলা সুরক্ষা কোথায়?
সম্পূর্ণ ঘটনার জন্য স্থানীয় বিধায়ক সহ সেখানকার বিজেপি নেতৃত্বদের দায়ী করছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা।পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় সাত জন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে নন্দীগ্রাম থানায়। ইচ্ছে করে বিজেপির লোকজনকে ফাঁসানো হচ্ছে। এই দাবি বিজেপির। ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজতে তদন্ত করছে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications