ভোটের আগে শুভেন্দু গড়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তৎপরতা, সিবিআইয়ের পর এবার বিজেপি নেতার খুনের তদন্তে এনআইএ
আগামী ২৫ মে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভোট। তার আগে এই জেলায় শুরু হয়েছে এজেন্সির তৎরপরতা। শুক্রবার ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী মামলায় সক্রিয়া হয়েছিল সিবিআই। শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরে পৌঁছে গেল এনআইএ-র টিম। ময়নার বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া খুনের ঘটনার তদন্তে ফের সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাটি।
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া খুনের মামলায় শুক্বার সকালে পূর্ব মেদিনীপুরে পৌঁছায় এনআইএ-র তদন্তকারী আধিকারিকরা। হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাটি। ভোটের আগে বিষয়টি নিয়ে ফের সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিটি।

এই ঘটনায় ৩৬ জন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ৯ জন তৃণমূল কর্মীকে এরআগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু ৯ জনের মধ্যে মধ্যে ৪ জন জামিনে মুক্ত হয়েছেন আগেই। এনআইএ সূত্রের খবর, ৫ জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হতে পারে। এই ঘটনায় জেলা তৃণমূলের দুই শীর্ষনেতা সৌমেন মহাপাত্র, সংগ্রাম কুমার দলুইর বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছিলেন মৃতের স্ত্রী।
লক্ষ্মীদেবীর অভিযোগ ছিল, ''খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তেরা জামিন পেয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের হুমকি দিচ্ছে। আমার স্বামীকে খুনের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি চাই।''
এনআইএ-র আগেই শুক্রবার এই জেলায় সক্রিয়া হয়েছে সিবিআইও। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। শুক্রবার সকালে সিবিআই আধিকারিকেরা মারিশদা থানা এলাকায় দুই তৃণমূল নেতার বাড়িতে যান। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
সিবিআইয়ের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই অভিযানের কারণ জানানো না হলেও, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তদন্তের সূত্রেই ওই দুই নেতার বাড়িতে হানা দেওয়া হয়।
পূর্ব মেদিনীপুর রাজ্য রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। শুভেন্দু অধিকারীর খাস তালুক বলেই পরিচিত। সেখানে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় এজেন্সির সক্রিয়তা অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications