প্রতারণা করে হারানো হয়েছে! বদলা আমি নেবই, শুভেন্দু গড়ে দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি মমতার
শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে গিয়ে সভা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তমলুক কেন্দ্রের হলদিয়ায় হওয়া সেই সভায় স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে নন্দীগ্রামের নাম। তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, তাঁকে ২০২১-এর জোর করে হারানো হয়েছিল। সেই মামলা চলছে হাইকোর্টে। তবে তিনি আদালতে বিচারের ব্যাপারে আশাবাদী।
এধানেই শেষ নয় তিনি এদিন বলেন, নন্দীগ্রামে তাঁকে প্রতারণা করে, রিগিং করে হারানো হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনকে সঙ্গে নিয়ে ভোট লুট করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি আজ না হলেও কাল প্রকাশ্যে আসবেই বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রতারণা করে হারানো হয়েছে
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপির নির্বাচন কমিশন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, আইসি, সবাইকে পরিবর্তন করে দিয়েছিল ভোটের সময়। এখানেই শেষ নয়, গণনার পরেও লোডশেডিং করে ফল বদল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর খোঁচা
পূর্ব মেদিনীপুর তো বটেই, তার মধ্যে কাঁথি ও তমলুক শুভেন্দু অধিকারীর হাতের তালুর মধ্যে রয়েছে। কাঁথিতে যেমন অধিকারী পরিবারের বাড়ি, আবার তমলুকের অধীন নন্দীগ্রাম হল শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী ক্ষেত্র। তাঁর পরে ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তমলুকের সাংসদ ছিলেন।
শুভেন্দু অধিকারী এই লোকসভা ভোটের প্রচারে গিয়েও খোঁচা দিয়ে বলেছেন, ১৯৫৬ ভোটে তাঁকে হারিয়েছিল। এরপরের কাজ হল তাঁকে প্রাক্তন করা. তা তিনি করেই ছাড়বেন।
বদলা নেবই
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত তারই পাল্টা দিলেন। তিনি বলেন, বদলা তিনি নেবেনই। চিরকাল দেশে বিজেপি থাকবে না। চিরকাল ইডি, সিবিআই এবং আয়কর দফতরও তাঁদের কাছে থাকবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন কী করেননি মেদিনীপুর জেলার জন্য। তবে জীবনে কারও ক্ষতি করেননি বলে দাবি করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা
এদিন নাম না করে বরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় দাঁড়িয়ে গদ্দার বলেও আক্রমণ করেন। বলেন, মন্ত্রী থাকার সময় লুট করে খেয়েছে। নাম না করে তিনি বলেন, শিক্ষকদের চাকরি যাওয়ার আগে এক বাবু বলেছিল, বোমা ফাটাবেন। নাম না করে তিনি বলেন, এই জেলা থেকে কারা কারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তা যেন তাঁকে জানানো হয়। নন্দীগ্রামে গণহত্যা সিপিএমের সঙ্গে সমঝোতা করে করা হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উন্নয়নের দাবি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তিনি না থাকলে নন্দীগ্রাম থাকত না। সব সময় তিনি নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। ছবি এঁকে বিক্রি করে টাকা দিয়েছেন। নন্দীগ্রামে বাস স্ট্যান্ড করে দিয়েছেন। কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য প্রকল্প করে দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, হলদিয়ায় একলক্ষ চাকরি হয়েছে। তাজপুরে সমুদ্র বন্দর হলে সেখানে ২৫ হাজার চাকরি হবে।












Click it and Unblock the Notifications