Nandigram: সামান্য সমবায় ভোটেও মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম
Nandigram: সামান্য সমবায় নির্বাচনেও অশান্তি বাংলায়। রবিবার সমবায় নির্বাচনকে (cooperative society) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) একাধিক এলাকা। তৃণমূল ও বিজেপি সংঘর্ষে (TMC BJP Clash) রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম। মুড়ি মুড়কির মতো পড়ল বোমা (Bombing)। ধোয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।
তমলুক ল্যান্ড কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কের ভোট ছিল রবিবার। নিয়ম মেনে সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। এদিকে ভোটগ্রহণ শুরু হতেই বচসা বেঁধে যায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। তুমুল হাতাহাতিতে জড়ান দুই দলের কর্মীরা। পরে বোমাবাজি শুরু হয় নন্দীগ্রামের কাঞ্চননগর এলাকায়।

মূলত ভোটকেন্দ্রে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনে বিজেপি। সেই থেকেই বচসার সূত্রপাত। নন্দীগ্রামের কাঞ্চননগরে ব্যাঙ্কের বিজেপি সমর্থিত প্রার্থী মেঘনাথ পাল ও তার অনুগামীদের সঙ্গে বচসায় জড়ান তৃণমূল কর্মীরা। এরপরই উভয়পক্ষের তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। দফায় দফায় গন্ডগোল চলতেই থাকে।
নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিত মেঘনাথ পাল। এদিন কাঞ্চননগর হাইস্কুলে ছিল তমলুক এগ্রিকালচারাল সোসাইটির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের ৭টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও নির্দল মিলিয়ে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেই ভোটকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যেই বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।
মুড়ি মুড়কির মতো পড়তে থাকে বোমা। ঘটনাস্থলে নন্দীগ্রাম থানার প্রচুর পুলিশ কমব্যাট ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকা পরিদর্শনে যান পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে গিয়েছেন তমলুকের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। বেলা বাড়লেও পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে গোটা এলাকায়।
এদিকে সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় পূর্ব মেদিনীপুরের অপর প্রান্ত কোলাঘাটেও। বুথ দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি প্রতিবাদ করলে প্রবল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications