Mahishadal: দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ, মহিষাদলে তৃণমূল বিধায়কের সামনেই মার বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধানকে
তৃণমূল বিধায়কের সামনেই মার বিজেপি নেতাকে। সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর জেলাতেই। সমবায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন ওই ব্যক্তি। ব্যাস, সেজন্যই তাকে মার খেতে হল। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে।
মহিষাদল এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। মহিষাদলের বিধায়ক তিলককুমার চক্রবর্তী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির শতবর্ষ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই এই ঘটনা হয়েছে।

লক্ষ্যা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিজেপি নেতা রামকৃষ্ণ দাস ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিধায়কদের কাছে এই সমবায় দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করেন। আরও কিছু মানুষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। প্রশ্ন তোলা হয় দুর্নীতি বিষয়ে। তখনই আসে আক্রমণ। তৃণমূলের লোকজন রামকৃষ্ণ দাসকে মারধর করে বলে অভিযোগ।
অনুষ্ঠানে কিছু মানুষ ব্যাঘাত করছিল। তাই এই বিবাদ হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন তৃণমূল বিধায়ক তিলককুমার চক্রবর্তী। সমবায়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সেইসময় কিছু মানুষে সেখানে ব্যাঘাত করার চেষ্টা করেছিল। বিজেপি নেতারা ইন্ধন দিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় এমনভাবেই বিবাদ লাগানোর কাজ চলছে। এমনই দাবি করেছেন বিধায়ক।
যদিও এই কথা মানতে চাননি আক্রান্ত বিজেপি নেতা পঞ্চায়েত প্রধান রামকৃষ্ণ দাস। বিধায়ককে ডেকে এনে সামনে মারা হল। এমনই কথা বলেছেন রামকৃষ্ণ দাস। তার শরীরের বেশ কিছু জায়গায় চোট লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির তরফ থেকে এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
থানায় লিখিত অভিযোগ হবে বলে জেলা বিজেপির তরফ থেকেও জানানো হয়েছে। সমবায়ে দুর্নীতির অভিযোগ রাজ্যজুড়েই চলছে। তাই নিয়ে গ্রাম মহলে চাপা উত্তেজনাও আছে। কিন্তু এই প্রথম এভাবে মারধরের ঘটনা সামনে এল।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা আছে। পুলিশ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। ওই জেলারই বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। মহিষাদল থেকে কাঁথির দূরত্ব তেমন কিছু নয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সেখানে যেতে পারেন। এমন চর্চাও চলছে।












Click it and Unblock the Notifications