কিছুই করেনি পুলিশ, অভিযোগ বাগুইআটির মৃত ২ ছাত্রের পরিবারের! রিপোর্ট তলব নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের

কিছুই করেনি পুলিশ, অভিযোগ বাগুইআটির মৃত ২ ছাত্রের পরিবারের! রিপোর্ট তলব নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের

বাগুইআটির (Baguiati) দুই ছাত্রকে অপহরণ করে খুনের (Murder) ঘটনায় পুলিশের (Police) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ২২ অগাস্ট অপহরণের ঘটনার পরে ২৪ অগাস্ট অভিযোগ দায়ের করে দুই ছাত্রের পরিবার। এরই মধ্যে খুন হয়ে গেলেও মুক্তিপণ চেয়ে ফোন আসতে থাকে। পরিবারের অভিযোগ, তারা বাগুইআটি থানা কোনও সাহায্য পাননি। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্যে নারী ও শিশুকল্যাণ দফতর।

কিছুই করেনি বাগুইআটি থানা

কিছুই করেনি বাগুইআটি থানা

এদিন মৃত অভিষেক নস্করের মা কমলা নস্কর অভিযোগ করেন, অভিযোগ জানানো হলেও কিছুই করেনি বাগুইআটি থানা। তিনি বলেন, অভিষেক স্কুলে যাওয়ার নাম করে মামার বাড়ি গিয়েছিল। বিকেলে বলেছিল এক বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছে। রাতে জানায় দাদার ছেলের সঙ্গে গাড়ি কিনতে যাচ্ছে। তারপর থেকে আর কোনও খোঁজ নেই। তিনি বলেছেন, পুলিশে সব জানানো হয়েছিল। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছিল ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদিন ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ প্রসঙ্গে বিধাননগরের ডিসি ডিডি বলেছেন, পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হলে স্থানীয় থানার ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে।

 বসিরহাট থানা থেকে কি কোনও খবরই পায়নি বাগুইআটি থানা?

বসিরহাট থানা থেকে কি কোনও খবরই পায়নি বাগুইআটি থানা?

বসিরহাট পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে ২৩ অগাস্ট ন্যাজাট থেকে একটি দেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করে তা মর্গে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময় শ্বাসরোধ করে খুনের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। বসিরহাট পুলিশের তরফে দেহ উদ্ধারের পরেই পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিকেও জানানো হয়। বাড়ির লোক দেহ সনাক্ত করছে ৬ সেপ্টেম্বর। এব্যাপারে বাগুইআটি থানা কি কোনও খবরই পায়নি? বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটই বা কী করছিল, কী করছিল সিআইডি, কীভাবেই মা বসিরহাটের মর্গে ১০-১২ দিন দেহ পড়ে থাকল সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।

২২ অগাস্টই খুন, গ্রেফতার ৪

২২ অগাস্টই খুন, গ্রেফতার ৪

বিধাননগরের গোয়েন্দা প্রধান এদিন জানিয়েছেন ২২ অগাস্ট রাত নটা থেকে ১০ টার মধ্যে বাসন্তী হাইওয়ের ওপরে গাড়ির মধ্যেই শ্বাসরোধ করে অতনু দে এবং অভিষেক নস্করকে খুন করে দুই জায়টগায় ক্যানালের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফে অভিজিৎ বহসু, সাহিল মোল্লা, শামিম আলি এবং দীপেন্দ্র দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও এক অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

 রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নারী ও শিশুকল্যাণ দফতর

রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নারী ও শিশুকল্যাণ দফতর

পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠতেই তৎপর হয়েছে রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দফতর। উত্তর ২৪ পরগনার পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের কাছ থেকে এই ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট তলব করেছেন দফতরের মন্ত্রী শশী পাঁজা। ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল, পুলিশের পদক্ষেপই বা কী ছিল, তা নিয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা অন্যতম অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+