ফলস সিলিং, ট্রলিব্যাগে কোটি কোটি টাকা! কল সেন্টার মালিকের চিনার পার্কের বাড়িতে হানা দিতে চমকে উঠল পুলিশ
Fake Call Centre: টেক সাপোর্ট দেওয়ার নামে প্রতারণা। কল সেন্টারের মালিকের বাড়িতে হানা দিয়ে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করল বিধান নগর পুলিশ। যা খবর, দীর্ঘ তল্লাশিতে ৩ কোটি ৩ লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও প্রচুর সোনা-গয়নাও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যার আনুমানিক মূল্য কয়েক লাখ টাকা বলে দাবি পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের। বিপুল এই টাকার উৎস কি জানতে ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
শুধু কি প্রতারণা নাকি এর পিছনে অনেক বড় ষড়যন্ত্র আছে? সেটাই খোঁজ করছেন আধিকারিকরা। তবে বিধাননগর কমিশনারেটের অনুমান কল সেন্টারের পিছনে বড়সড় আন্তজাতিক কোনও যোগ আছে। আর সেই সূত্রেই এখন পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় কল সেন্টারের মালিক সহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Fake Call Centre) ।

দফায় দফায় তাঁদের জেরা করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, টেক সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে আমেরিকার নাগরিকদের বোকা বানানো হতো। ওই কল সেন্টারের কাছে একটি ডেটা বেস ছিল। আর সেখান থেকে তথ্য নিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর কাজ ওই সংস্থা চালাত।
সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ওই কল সেন্টারে হানা দেয় পুলিশ আধিকারিকরা। বেশ কিছু নির্দিষ্ট অভিযোগে ওই কল সেন্টারে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে একাধিক নথি এবং একাধিক কম্পিউটার উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে ৬৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেন পুলিশ আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, ধৃতদের জেরা করে আজ শুক্রবার চিনার পার্কের একটি ফ্ল্যাটে হানা দেন তদন্তকারীরা। দীর্ঘ তল্লাশি শেষে হঠাত করে ওই ফ্ল্যাটের একটি ঘর থেকে কয়েকটি বাক্স উদ্ধার করা হয়।
আর তা খুলতেই অবাক হয়ে যান তদন্তকারীরা! দেখেন রাশি রাশি টাকা সাজানো সেখানে। শুধু তাই নয়, বেড রুমের ফলস সিলিং থেকেও কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। উদ্ধার হওয়া সমস্ত নোট ৫০০ এর। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সব মিলিয়ে এই ঘটনায় মোট টাকার পরিমান ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। যদিও আর কোথাও কোনও টাকা লুকানো আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি বিট কয়েনের মাধ্যমেও বহু লেনদেন হয়েছে। পরে তা সাদা করা হয়েছে। ফলে গোটা ঘটনা পুলিশ যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications