সাত-সকালে রাজ্যের পশ্চিমাংশে ঝড়-বৃষ্টি, বীরভূমে বাজ পড়ে মৃত ২
সাত-সকালে রাজ্যের পশ্চিমাংশে ঝড়-বৃষ্টি। পুরুলিয়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়। যদিও কলকাতা-সহ আশপাশের এলাকায় আপাতত বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।
সাত-সকালে রাজ্যের পশ্চিমাংশে ঝড়-বৃষ্টি। পুরুলিয়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়। যদিও কলকাতা-সহ আশপাশের এলাকায় আপাতত বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। বেলা বাড়লে দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তি বাড়বে বলেই আপাতত জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার রাজ্যের পশ্চিমাংশের অধিকাংশ এলাকার মানুষের ঘুম ভেঙেছে ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে। প্রবল বৃষ্টি হয়েছে দুর্গাপুর, আসানসোল, পুরুলিয়া, বোলপুরে। বৃষ্টির সঙ্গে এলাকাগুলিতে প্রবল বজ্রপাতও হয়েছে। বৃষ্টির জেরে সকালে রাস্তাঘাট ছিল শুনসান।
জানা গিয়েছে, বীরভূমের মল্লারপুর থানার খরাসীনপুর গ্রামে বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে মা ও ছেলের। বাজ পড়ে আগুন ধরে যায় বাড়িটিতেও। মৃতদের নাম মানোয়ারা বিবি ও নিয়াজ আলি। মৃতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলাতেও ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। ৫০ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার পূর্বাভাস মতো উত্তরবঙ্গে বজ্র-বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়। বজ্রপাতে একাধিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বিহারে ঘূর্ণাবর্তের জেরে এই বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে রয়েছে নিম্নচাপ অক্ষরেখার প্রভাব। স্থলভাগে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকেছে। ফলে তাপমাত্রাও বাড়ছে। সকাল থেকে গরমের সঙ্গে রয়েছে অস্বস্তিও। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি সূচক মাত্রাও অনেকটাই বেশি রয়েছে। বিকেলের দিকে স্থানীয় ভাবে কালবৈশাখীর পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।
কয়েকদিন ধরে অস্বস্তি মূলক আবহাওয়া বজায় রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামি দিন দুয়েক তাপমাত্রা বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিসূচক মাত্রাও।












Click it and Unblock the Notifications