করোনায় প্রাণ হারালেন আওধের শেষ নবাব ওয়াজিদ আলি শাহের প্রপৌত্র, কলকাতাতেই জীবনাবসান
চলে গেলেন ভারতে বিলিয়ার্ড এবং স্নুকারের অন্যতম প্রধান পথিকৃৎ
সেই প্রাচীনকাল থেকেই লখনৌয়ের নবাবদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে কলকাতার। এমনকী আওধের শেষ নবাব ওয়াজিদ আলি শাহও তাঁর শেষ জীবনটা কাটিয়েছিলেন এই কলকাতাতেই। এবার তার পরিবারেই মারণ করোনার ছোবল। মারা গেলেন ওয়াজিদ আলি শাহের প্রপৌত্র লখনউয়ের প্রিন্স কাওকব কাদের সাজেদ আলি মির্জা। সপ্তাহ খানেক আগেই তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পডেটিভ আসে বলেও জানা যায়।

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতাতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৭ বছর। একসময় আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন মির্জা বিরজিস কাদেরের পুত্র ড. কওকাব কাদের। এতদিন কলকাতার বাড়িতেই স্ত্রী, দুই পুত্র এবং চার কন্যাদের সঙ্গে থাকতেন তিনি। বার্ধক্যজনিত একাধিক শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি সম্প্রতি তার করোন আক্রান্ত হওয়ারও খবর মিলেছিল। আর তাতেই প্রাণ হারালেন ওয়াজিদ আলি শাহের প্রপৌত্র।
এদিকে উর্দু ভাষাতেও বিশেষ পাণ্ডিত্য ছিল সাজেদ আলি মির্জা। তাঁর স্ত্রী ছিলেন লখনউয়ের বিখ্যাত শিয়া ধর্মীয় পরিবারের সদস্য মামলিকাত বদর। ওয়াজিদ আলি শাহের উপর একাধিক গবেষণাকর্মেও আজীবন কাজ করে গেছেন তিনি। সূত্রের খবর, সত্যজিৎ রায়ের 'শতরঞ্জ কে খিলাড়ি’ চলচ্চিত্রের পিছনে একাধিক গবেষণা কর্মেও সাহায্য করেছিলেন তিনি। এদিকে ভারতে বিলিয়ার্ড এবং স্নুকারের অন্যতম প্রধান পথিকৃৎ হিসাবে আজও তার নামই করা হয়। অন্যদিকে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করার পর ১৯৯৩ সালে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications