একাধিক মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে এবার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় কলকাতা হাইকোর্ট
একাধিক মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে এবার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় কলকাতা হাইকোর্ট
শুনানি না হওয়া মামলার সংখ্যা ২.২৯ লক্ষের ঘর পেরোনোর আগে নতুন সিদ্ধান্ত কলকাতা হাইকোর্টের। লক্ষাধিক মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে বিকল্প রাস্তার পরিকল্পনা রাজ্যের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের। এবার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় দেখা মিলবে কলকাতা হাইকোর্টকে।

ব্যবসা বাণিজ্যের সমস্যা হোক বা বৈবাহিক সমস্যা, এবার সমস্ত ক্ষেত্রেই মামালার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বাদী বিবাদী দুই পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে মিটমাটের উপদেশ কলকাতা হাইকোর্টের। এই প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিষ ট্যান্ডন যেমন বলেন যে, " যে কোনও মামলা-মোকদ্দমার ক্ষেত্রেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের নিষ্পত্তি করার জন্য মধ্যস্থতা একটি কার্যকর হাতিয়ার। আদালতে জয় পরাজয়ের আগে মধ্যস্থতার মাধ্যমেও অনেক মতপার্থক্য নিরসন করা যেতে পারে।"
অন্যদিকে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে সালিশি ও সমঝোতা আইন ১৯৯৬ সাল থেকেই কার্যকরী রয়েছে। এই আইনটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার জন্যই মূলত খুব আইনটি বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি বলে মত বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের।
ইতিমধ্যেই জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে, কলকাতা হাইকোর্টের মধ্যস্থতা ও সমঝোতা কমিটি ১৫ই নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাসটেইনেবল রুল অফ ল ইনিশিয়েটিভ (এফএসআরআই) এবং বেঙ্গালুরুর সিএএমপি আরবিট্রেশন অ্যান্ড মেডিটেশন প্রাকটিসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি চার দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে।
সূত্রের খবর, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের সামনে ২,২৯,১০৩ টি মামলা বিচারাধীন ছিল। পাশাপাশি ৭২ জন অনুমোদিত বিচারকের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে বর্তমানে ৪০ জন বিচারক রয়েছেন। আবার ৪০ জনের মধ্যে দুই বিচারক স্থায়ীভাবে হাইকোর্টের আন্দামান ও নিকোবর সার্কিট বেঞ্চে এবং আরও দুজন জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের দায়িত্বে রয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications