RG করে মেয়ের মৃত্যুর অষ্টম দিন, বাবা জানালেন কার সঙ্গে কাজে সমস্যা হতো, মা জানালেন পুলিশের 'চাপে'র কথা
মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে গিয়ে ১৮ অগাস্ট পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছিলেন, তারপরেও আদালতে গিয়ে তাঁরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। কলকাতা হাইকোর্ট সেই দাবিতে সম্মতি দিয়েছে। তারপরেও আরজি করে ব্যাপক ভাঙচুর হয়েছে। সেই ভাঙচুর প্রমাণ লোপাটের জন্য হতে পারে বলে মনে করছেন ৯ অগাস্ট নৃশংসভাবে হত্যা করা চিকিৎসকের বাবা-মা।
সিবিআই তদন্তে তাঁদের আস্থা রয়েছে। কারণ কোথাও না কোথাও গিয়ে ভরসা তো একটা রাখতেই হবে। মনোবল শক্ত রেখে তাঁরা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন জাস্টিস ফর আরজি কর স্লোগান উঠেছে, আবার বাবা-মায়ের অবস্থান নিয়েও অনেকে সমালোচনা করছেন। তবে তাঁদের মনে শক্তি জুগিয়েছে ১৪ অগাস্ট রাতের কলকাতা-রাজ্য-দেশ জুড়ে হওয়া প্রতিবাদ কর্মসূচি।
এই পরিস্থিতিতে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে মৃত চিকিৎসকের পরিবার। তাঁরা বলছেন, হাসপাতালে কাজ করা নিয়ে বেশ কিছু কথা তাঁর মেয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে শেয়ার করেছিল। বলেছিল, যে সিনিয়রের অধীনে কাজ করত, তাঁর সঙ্গে কাজের সমস্যা হত।
এদিন মৃত চিকিৎসকের মা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, এরকম অভিশপ্ত দিন কারও যেন না আসে। হাসপাতালে গিয়ে দেহ দেখতে পুলিশের হাতে পায়ে ধরেছেন তাঁরা। পুলিশ সেই সময় মেয়ের ব্যাগ থেকে মেডিক্যাল রিপোর্ট বের করে বলে, আপনাদের মেয়ে তো অসুস্থ ছিল। সেই সময় তাঁর মা বলেন, আউটডোরে দেখিয়ে ওষুধ খাচ্ছিল। তারপর পুলিশ আর কিছু বলেনি।
মেয়ের প্রিয় জিনিসটা না ভাঙার অনুরোধও তাঁরা করেছিলেন পুলিশের কাছে। ফের একবার চিকিৎসকের মা অভিযোগ করেছেন, নিশ্চয়ই ভিতরের কেউ রয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেছেন, দেহ নিয়ে আসা পর্যন্ত তাঁদের হেনস্থা হতে হয়েছে। কেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার ফোনে বলেছিলেন, তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন, সেই প্রশ্নও তুলেছে মৃত চিকিৎসকের পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications