আরজি কর নিয়ে রুদ্রনীল ঘোষের কবিতায় 'মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী'কে নিশানা করে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল
আরজি করের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। আরজি করের আশপাশের এলাকায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা (পূর্বতন ১৪৪ ধারা) জারি করার পরে এদিন পূর্ব কলকাতার কিছু অংশেও এই একই ধারা জারি করা হয়েছে। মূলত ওই ঘটনা নিয়ে বিক্ষোভ দমন করতেই এই ব্যবস্থা।
এদিন বিধাননগর পুলিশও সল্টলেক স্টেডিয়ামের আশপাশে এদিনের জন্য ১৬৩ ধারা জারি করে। তারপরেও সেই ধারা কার্যত ভঙ্গ করে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহমেডান সমর্থকরা পথে নামেন এবং উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান দেন। শিল্পী-সাহিত্যিকরাও নিজেদের মতো করে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন।

কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদ
কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। কবিতায় আরজি করের ঘটনার জন্য তিনি রাজ্য সরকারকে দায়ী করেছেন। নয় অগাস্টের বর্বর ঘটনা থখেকে শুরু করে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের জেরা নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য সরকারকে দায়ী করেছেন।
প্রায় সাত মিনিটের এক কবিতায় রুদ্রনীল ঘোষ বিরোধিতা ও প্রতিবাদের সুর চড়িয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতার ভিডিও পোস্ট করে রুদ্রনীল ঘোষ লিখেছেন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, একটি খোলা চিঠি আর কিছু প্রশ্ন, সব জনতার পক্ষে। সঙ্গে লিখেছেন অপ্রিয় সত্য অপছন্দ হলে জেলে পুরে দিন।
ভিডিওতে তিনি একের পর এক প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশ ও প্রশাসনকে নিয়ে, নিশানা করেছেন রাজ্য সরকারকে।
প্রতিবাদে উত্তাল যুবভারতী চত্বর
রবিবার বিকেলে জাস্টিস ফর আরজি কর স্লোগানে উত্তাল যুব ভারতী চত্বর। ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারির পরে পুলিশ বেশ কয়েকবার লাঠি চালিয়ে ভিড় হাল্কা করার চেষ্টা করে। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, ততই ভিড় বেড়েছে। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহমেডান সমর্থকরা সবাই মিলে নিরাপত্তার অজুহাতে ডার্বি বাতিলের প্রতিবাদ করেছে। এই ভাবে সাধারণের কণ্ঠরোধ করা যাবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিবাদী ফুটবলপ্রেমীরা।












Click it and Unblock the Notifications