RG Kar Incident: ৩ দিনের হেফাজত, বৃহত্তর ষড়যন্ত্র উন্মোচনে সন্দীপ ও অভিজিৎকে মুখোমুখি জেরা সিবিআইয়ের
RG Kar Incident: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ওই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে তিন দিনের হেফাজতে পেল সিবিআই।
এই মামলায় এই দুজনকে গতকালই গ্রেফতার করা হয়। আজ তোলা হয় শিয়ালদহ আদালতে। আরজি কর কাণ্ড বৃহত্তর ষড়যন্ত্র, আদালতে জানাল সিবিআই।

সিবিআই আদালতে বলেছে, সন্দীপ ও অভিজিৎ দুজনেরই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঘটনার কথা টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল সকাল ১০টায় জানার পরেও কেন এফআইআর দায়েরে দেরি হলো, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
সিবিআইয়ের এই দুই ধৃতকে তিন দিনের হেফাজতে চেয়েছিল। তা মঞ্জুর করেছেন বিচারক। টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিতের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও এফআইআর দেরিতে রুজুর অভিযোগ এনেছেন তদন্তকারীরা। গোটা ঘটনাটিকে লঘু করে দেখাতে সন্দীপের সঙ্গে অভিজিতের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে জানতে পেরেছে সিবিআই।
গতকাল জিজ্ঞাসাবাদের সময় তদন্তে সহযোগিতা না করায় অভিজিৎকে গ্রেফতার করা হয়। সম্প্রতি অসুস্থতার ভান করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন অভিজিৎ। পরে ভর্তি হয়েছিলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এরপর গতকাল জিজ্ঞাসাবাদের পরই গ্রেফতার হন টালা থানার প্রাক্তন ওসি।
সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের দাবি, আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় কীভাবে তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে সেই সংক্রান্ত নির্দেশ সন্দীপ ঘোষ দিয়েছিলেন অভিজিৎ মণ্ডলকে। গোটা অপরাধটিকে চাপা দেওয়ার পরিকল্পনা এই দুজন করেছিলেন, দাবি সিবিআইয়ের।
সন্দীপ ঘোষকে আগেই আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। এবার গ্রেফতারি ধর্ষণ ও খুনের মামলায়। কাদের নির্দেশে এই দুজন তথ্যপ্রমাণ লোপাট করে তদন্তের অভিমুখ বদলানোর মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন, তাই জানতে তৎপর তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications