RG Kar Hospital: রাজ্যকে চরম ভর্ৎসনা, ছুটিতে যেতে বলুন, প্রধান বিচারপতির ভর্ৎসনার পর ছুটির আবেদন সন্দীপ ঘোষের
আরজি কর হাসপাতালেন ঘটনা নিয়ে চরম ভর্ৎসনার মুখ্য রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্টে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয়েছে। কীভাবে হাসপাতালের প্রিন্সিপাল দায়িত্ব এড়িয়ে থেকে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন করেন প্রধানবিচারপতি। সন্দীপ ঘোষকে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিকেল তিনটের মধ্যে ছুটিতে যেতে বলেন।
তারপরেই জানা গিয়েছে স্বাস্থ্য দফতরে আগামী ১৫ দিনের জন্য ছুটির আবেদন করেছেন সন্দীপ ঘোষ। তবে সেটা স্বাস্থ্য দফতর এখনও মঞ্জুর করেনি। সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। তব্ আদালতে এই নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন প্রধান বিচারপতি।

আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁরা তদন্তে অসঙ্গতির অভিযোগ করে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় প্রধান বিচারপতি রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে তদন্তে দেরি হলে প্রমাণ লোপাট হতে পারে।
আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের দাপট নিয়েও এবং তাঁর অমানবিক আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলের বিচারপতি। কীভাবে নির্যাতিতার বাবা-মাকে ৩ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হলে। এর থেকে তাঁর অমানবিকতা বোঝা যায়। একজনক অভিভাবকের মতো আচরণ করেননি অধ্যক্ষ। তাঁর দায়িত্ব ছিল আগে অভিযোগ করা। কিন্তু তিনি সেটার কোনওটাই করেননি উল্টে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো আচরণ করেছেন তিনি।
অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফার ৬ ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে নতুন হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ কীভাবে হয়। কতটা প্রভাবশালী বলুন তো। ভর্ৎসনা করেন প্রধান বিচারপতি। তারপরেই রাজ্য সরকারকে রীতিমতো তিরোস্কার করে বলেন, কীভাবে এই রকম একজনকে পুরস্কৃত করা যায়। বিকেল ৩টের মধ্যে তাঁকে ছুটিতে যাওয়ার কড়া নির্দেশ দেন বিচারপতি।
এদিকে ঘরে বাইরে জোড়া চাপে আগামী ১৫ দিনের জন্য ছুটির আর্জি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরে। তবে তাঁর আর্জি এখনও অনুমোদন পায়নি। তাই নিয়ে আলোচনা চলছে। রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয়েছে সন্দীপ ঘোষকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে বসাতে পারেন। তা নিয়ে রাজ্য সরকারকে সওয়াল করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications