রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে এবার সুস্মিতা দেবের ইস্তফা! তৃণমূলে বিদ্রোহের আঁচ আরও গনগনে
তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন অব্যাহত। বুধবার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সুস্মিতা দেবও। চলতি সপ্তাহে সুখেন্দুশেখর রায়ের পর সুস্মিতার এই পদত্যাগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের জন্য বড় ধাক্কা নিঃসন্দেহে। সাম্প্রতিক সময়ে একে একে দুই নেতার পদত্যাগের ঘটনা দলের অন্দরে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতারই বহিঃপ্রকাশ বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সুখেন্দুশেখর রায় দলের বিরুদ্ধে 'লাগামহীন দুর্নীতি’ ও 'অরাজক শাসন’ চালানোর গুরুতর অভিযোগ তুলে রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। দলের অন্যতম পরিচিত মুখ ও সাংসদ হিসেবে তাঁর এই ইস্তফা শাসকদলের বর্তমান সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে।

উল্লেখ্য, অল ইন্ডিয়া মহিলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সুস্মিতা দেব ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী রাজদীপ রায়ের কাছে পরাজিত হন। পরবর্তীতে কংগ্রেস ছেড়ে ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সুস্মিতা দেবের পদত্যাগের ঘোষণার পরপরই সংসদ ভবনে আসামের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। এই ছবি ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর থেকেই নিজের দলকে অটুট রাখা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিধায়ক থেকে সাংসদ—দলের একাংশের বিদ্রোহ এবং দলবদলের প্রবণতা তৃণমূল সুপ্রিমোর নেতৃত্বকে কার্যত কঠিন পরীক্ষার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন দাবি করে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ চেয়েছেন। এছাড়া সাংসদ কাকলি ঘোষও ১৯ জন বিদ্রোহী সাংসদকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications