তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে এবার মালা রায়, সায়নী ঘোষ? বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার দাবিতে জল্পনা তুঙ্গে!
সংসদীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবিরের তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে। দিন দুয়েক আগে দলের এক বৃড় অংশ দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। শতাব্দী রায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের নেতৃত্বে গঠিত ওই 'বিদ্রোহী' ব্লকে সদস্য সংখ্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেই দাবি করেছে ওয়াকিবহাল মহল।
তবে প্রশ্ন উঠেছে, এই বিদ্রোহী সাংসদের প্রকৃত সংখ্যা কত এবং তারা দলত্যাগ বিরোধী আইন কীভাবে মোকাবিলা করবেন? বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাদের সঙ্গে ২০ জনেরও বেশি সাংসদ রয়েছেন। সেদিনের বৈঠকে ১৬ জন সাংসদ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং আরও দু’জন ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সংশ্লিষ্ট পত্রে সই করেছেন। খবর অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে এই শিবিরে সাংসদ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়ের অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত মালা রায়কে সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রী মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। তবে তৃণমূলের বহিষ্কৃত মুখপাত্র ঋজু দত্তের দাবি, মালা রায়ও এখন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন।
এখানেই শেষ নয়, ঋজু দত্তর দাবি অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এবং সম্প্রতি যুব সভানেত্রীর পদে বহাল থাকা সায়নী ঘোষও এই বিদ্রোহী শিবিরে সই করতে চলেছেন। এছাড়া আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাও এই ব্লকে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এই সংখ্যা ২২ থেকে ২৩-এ পৌঁছাতে পারে, যদিও সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত সই করেছেন ১৯ জন সাংসদ।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় এবং মহুয়া মৈত্র। সংখ্যাধিক্যের কারণে এই বিদ্রোহীদের দলত্যাগ বিরোধী আইনে পড়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই। রাজনৈতিক মহলে শোনা যাচ্ছে, সংসদীয় স্পিকার খুব শীঘ্রই তৃণমূলের এই বিরোধী ব্লককে স্বীকৃতি দিতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications