'মানববন্ধন' কর্মসূচি ঘিরে ধর্মতলায় ব্যাপক উত্তেজনা, রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি চিকিৎসকদের
RG Kar Hospital Doctor Protest: জুনিয়র চিকিৎসকদের অনশনের আজ মঙ্গলবার ১১ দিন! ইতিমধ্যে পাঁচ জুনিয়র চিকিৎসক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জুনিয়ররা পাশে দাঁড়িয়ে বাংলার সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালগুলিতে প্রতীকী অনশন পালন করছেন সিনিয়র চিকিৎসকরাও। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে।
এই অবস্থায় রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি দিলেন দিল্লি এইমসের রেসিডেন্ট ডাক্তাররা। পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে যাচ্ছে। আর সেই আশঙ্কা প্রকাশ করে এই চিঠি রেসিডেন্ট ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের (The Resident Doctors' Association (RDA) of AIIMS)।

যেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও চিঠি দেওয়া হয় চিকিৎসকদের তরফে। এবার দিনের পর দিন চলা অনশন নিয়ে হস্তক্ষেপ দাবি করে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি চিকিৎসকদের (RG Kar Hospital Doctor Protest) ।
দিল্লি এইমসের রেসিডেন্ট ডাক্তারদের দাবি, অবস্থা খুবই শোচনীয়। যারা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মেরুদন্ড সেই চিকিৎসকরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আন্দোলন করে চলেছে। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বিচারের জন্য লড়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে এই বিষয়টি দেখার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে একদিকে যখন দুর্গাপুজো কার্নিভাল চলছে অন্যদিকে ধর্মতলায় চলছে দ্রোহের কার্নিভাল। সেখানে চিকিৎসক সহ সাধারণ মানুষ যোগ দিয়েছেন। গিয়েছেন অপর্ণা সেন সহ একাধিক টলি অভিনেত্রী।
অন্যদিকে বিচার সহ একাধিক দাবিতে আজ মঙ্গলবার জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়। আর সেই ডাকে সাড়া দিয়ে বহু মানুষ জড়ো হয়েছেন। এই মানব বিন্ধন কর্মসূচি ঘিরে কিছুটা সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয় ধর্মতলা কেসি দাসের সামনে।
একটি পুজোর কার্নিভালের গাড়ি বের হতে গেলে তা আটকে পড়ে। আর তা নিয়ে সংঘাত তৈরি হয়। পুলিশকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ। এমনকি ডিসি সেন্ট্রালকে ঘিরে ধরেও চলে আন্দোলন-বিক্ষোভ। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সাধারণ মানুষের দাবি, যেখানে মানব বিন্ধন চলছে সেখানে ইচ্ছাকৃত ভাবে গাড়ি ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যে কোনও মুহূর্তে ঘটে যেত বিপদ। আর এরপরেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications