RG Kar Hospital: পাঁচটা বিয়ে, চরিত্রহীন ছেলে! পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে তুলত টাকা, সঞ্জয়ের কীর্তি অবাক করবে
RG Kar Hospital Doctor Death: মধ্যরাতে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন। বিচারের দাবিতে উত্তাল কলকাতার রাজপথ। ঘটনার প্রতিবাদে আরজি কর সহ রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতালে শুরু হয়েছে কর্মবিরতি। একেবারে হাড়হিম করা এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রাতেই বিভিন্ন তথ্য এবং প্রমাণ খতিয়ে দেখে তাঁকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, কলকাতা পুলিশের অধীনে সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিল। মূলত কাজ ছিল একটি সংস্থার হয়ে যে সমস্ত রোগী আরজি করে ভর্তি হতেন, তাদের বিষয়ে তথ্য নেওয়া।

আর সেই ছেলের এমন কীর্তিতে অবাক অনেকেই। তবে এই ঘটনায় কোনও ভাবেই আশ্চর্য হচ্ছেন না সঞ্জয়ের পাড়ার প্রতিবেশীরা। ভবানীপুরের ৫৫/বি এসএনপি স্ট্রিট, কলকাতা -২৫ -এর বাসিন্দা সে। যদিও দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে যায়নি। স্থানীয় মানুষরা বলছেন, সঞ্জয় একেবারেই চরিত্রহীন একটা ছেলে। অন্তত পাঁচটা বিয়ে করেছে বলেও দাবি প্রতিবেশীদের। ফলে সে এমন কাজ করতেই পারে বলে দাবি প্রতিবেশীদের।
শুধু তাই নয়, পাড়ায় তাঁর অনেক কীর্তি আছে বলেও শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় এক মানুষের দাবি, সে সবাইকে বলত কলকাতা পুলিশের ফোর্থ ব্যাটেলিয়নে কাজ করে। আর সেখানে নাকি চাকরি করিয়ে দেওয়ার সুযোগ তাঁর আছে। আর তা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা সে তুলেছে বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের।
এমনই এক স্থানীয় এক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশে চাকরি করিয়ে দেওয়ার নামে আড়াই লাখ টাকা নিয়েছিল। ফেরতও দেয়নি এবং চাকরি হয়নি। দেখলেই বেধড়ক মারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সেই ব্যক্তি। অন্যদিকে সঞ্জয়ের মা জানিয়েছেন, ওর বাব চলে যাওয়ার পর সে আর আসেনি। মাত্র ৬ মাস কেটে গিয়েছে। বলত ও নাকি পুলিশে চাকরি করত। একেবারেই গলির মধ্যে ছোট ঘর। বাড়িতে আরও বেশ কয়েকজন বোনও আছে। ভাই যে এমন কাজ করতে পারে তা অবশ্য মেনে নিতে পারছেন না তাঁরা।
কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল ধৃতের পেশা বা পরিচয় সম্পর্কে বিশদে কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, ধৃত আমাদের কাছে একজন বড় মাপের অপরাধী৷ সেটাই বড় পরিচয়। যে এমন ঘৃন্য অপরাধ করে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্য৷ আমরা সেটা দেখব বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।












Click it and Unblock the Notifications