পুলিশ ও সিআইডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, নাবালিকা নিখোঁজ মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
সাত মাস ধরে নাবালিকা নিখোঁজ। রাজ্য পুলিশ, সিআইডি তদন্ত করেছে। কিন্তু কোনও দিশাই পাওয়া যায়নি তদন্তে। কলকাতা হাইকোর্ট সেই তদন্তের ভার এবার সিবিআইকে দিল৷
শুধু তাই নয়, পুলিশ - প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন হাইকোর্টের বিচারপতি৷ বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত ক্ষুব্ধ পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়ায়। আদালত মনে করছে গোটা ঘটনায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হাত আছে।

বিগত সাত মাস ধরে নিখোঁজ নাবালিকা। বর্ধমানের খন্ডঘোষ এলাকায় তার বাড়ি। নাবালিকা নিখোঁজের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।
ওই নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তেমন কোনও বড় ভূমিকা দেখা যাচ্ছিল না। দিন দিন পুলিশের উদাসীনতাও চোখে পড়ছিল। নাবালিকাকে খুঁজে তো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ওঠে, গোটা ঘটনার পিছনে শাসক দলের বিধায়ক সহ প্রভাবশালীরা যুক্ত।
পুলিশের হাতে মামলা থাকাকালীন দুজন গ্রেফতার হয়। ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে সেই দুজনও ছাড়া পেয়ে যায়। অভিযোগ, জামিন পেয়ে যাওয়া দুজন স্থানীয় বিধায়কের ঘনিষ্ঠ। গোটা ঘটনার পিছনে শাসক দলের প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে।
পুলিশের তদন্তে উদাসীন মনোভাব দেখে আদালত। গত ১৫ জানুয়ারি সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। অভিযোগ, তদন্ত হাতে নেওয়ার পরে সিআইডি এখনও পর্যন্ত কয়েকজনকে শুধু জেরা করেছে মাত্র। আর কোনও অগ্রগতি নেই সেখানে।
বৃহস্পতিবার আদালতে ওই মামলা ওঠে। পুলিশ ও সিআইডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতে মনে করছে, গোটা ঘটনায় রাজ্য পুলিশের গাফিলতি রয়েছে। তাছাড়া মেয়েটিকে ভিন রাজ্যে বা প্রতিবেশী দেশে পাচারের আশঙ্কাও থাকছে।
সব দিক বিবেচনা করেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাচার হওয়ার বিষয়
থাকলে সেই দিকটাও সিবিআইকে তদন্ত করতে হবে। আগামী ১৩ মার্চ পরিবর্তী শুনানি। সিবিআইকে তদন্তে অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে।












Click it and Unblock the Notifications