এটিএম পরিষেবা চালু হলেও কলকাতা শহর-শহরতলিতে ভোগান্তির চিত্রই স্পষ্ট
শুক্রবার থেকে এটিএম পরিষেবা চালু হলেও ভোগান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সকাল থেকে টাকা পাওয়ার আশায় এটিএমের সামনে লম্বা লাইন লেগে গিয়েছে।
কলকাতা, ১১ নভেম্বর : শুক্রবার থেকে এটিএম পরিষেবা চালু হলেও ভোগান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সকাল থেকে টাকা পাওয়ার আশায় এটিএমের সামনে লম্বা লাইন লেগে গিয়েছে। কোথাও এটিএমের সাটার খোলেনি। কোথাও পর্যাপ্ত খুচরো টাকা নেই। বেলা বাড়তেই পরিষ্কার হয়রানির চিত্র।
একটা জিনিস স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, একদিন-দু'দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। সমস্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষই জানিয়ে দিয়েছেন অন্তত সাতদিন সময় লাগবে স্বাভাবিক হতে। শহরের এটিএম সচল হলেও গ্রামের এটিএমগুলিতে আদৌ টাকা পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েই যাচ্ছে। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েই দিয়েছে, দূরের এটিএমগুলিতে টাকা ভরতে সময় লাগবে। বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিও আগেভাগেই হাত তুলে নিয়েছে। জানিয়ে দিয়েছে, আজ থেকে সব এটিএমে পরিষেবা মিলবে না। ব্যাঙ্ক লাগোয়া এটিএমগুলি কাজ করবে। বাকি এটিএম থেকে পরিষেবা পেতে সময় লাগবে।

গতকাল ব্যাঙ্কের শাখাগুলিতে দেখা গিয়ছিল উপচে পড়া ভিড়। আজ সেই চিত্র শহর-শহরতলির এটিএমগুলিতে। ৫০০ টাকার নতুন নোট অপ্রতুল। ১০০ টাকার নোটও পর্যাপ্ত নেই। অনেক এটিএম-এ নতুন নোট ভরা হয়নি। দু'হাজার টাকার নোট প্রযুক্তিগত কারণে মেশিনে ভরা যাবে না। সরকার আগেই ঘোষণা করেছিল ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত একটি কার্ডে ২০০০ টাকা তোলা যাবে।
১৯ নভেম্বর থেকে ৪০০০ টাকা করে পাওয়া যাবে। এরপর ধীরে ধীরে সীমা বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, একটা এটিএম মেশিনে ১০০ টাকার নোট ৪ লক্ষ টাকা ভরা যায়। ৫০০ ও হাজার টাকা ভরা যায় ১৫ লক্ষ। ১০০০ টাকা নেই, ভরা যাবে না। আর ৫০০ টাকার নোট এখনও ভরা হয়নি। জোগান নেই, চাহিদা মিটবে কীভাবে! সঙ্কট তাই তীব্রতর।












Click it and Unblock the Notifications