RG Kar Hospital: ধর্ষক-খুনি! আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়ের হয়ে লড়তে নারাজ আইনজীবীরা, বিপাকে CBI
আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। সকলেই দোষী শাস্তি দাবি করেছেন। তাতে সামিল হয়েছেন আইনজীবীরাও। এবার এই ঘটনায় গ্রেফতার সঞ্জয় রায়ের কেস লড়তে নারাজ তাঁরা। কোনও আইনজীবীই সঞ্জয় রায়ের হয়ে আদালতে সওয়াল করতে চাইছেন না।
ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তদন্তকারীরা সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ পরীক্ষার অনুমতি চেয়েছিল। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেছে। তাতে অনুমোদনও দিয়েছে। কিন্তু সেই পরীক্ষার জন্য অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি প্রয়োজন হয়। কিন্তু কোনও আইনজীবীই সঞ্জয় রায়ের হয়ে লড়তে রাজি নন। যার জেরে আদালতের অনুমোদন পেয়েও থমকে যাচ্ছে সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ পরীক্ষা।

কারণ পলিগ্রাফ পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগকারীদে জানানাতে তার আইনজীবীর প্রয়োজন হয়। কিন্তু বুধবার আদালতে কেউ রাজি হনননি সঞ্জয় রায়ের হয়ে লড়তে। আইন অনুযায়ী যাঁর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয় তাঁর আইনজীবী তাঁকে সেই পরীক্ষা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দেন। তারপর তাতে অভিযুক্ত সম্মতি জানালে তার পরিগ্রাফ পরীক্ষা বা লাই ডিটেক্টর পরীক্ষা করানো হয়। কিন্তু কোনও আইনজীবী তাতে রাজি না হওয়ায় সেই পরীক্ষা করাতে পারেনি সিবিআই।
তারপরেও উল্টোডাঙার পুলিশ ব্যারাকে থাকত সে। পুলিশের বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়াত সঞ্জয় রায়। আরজি কর হাসপাতালে তার অবাধ যাতায়াত ছিল। কীভাবে সে সেমিনাল হলে পৌঁছল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নির্যাতিতার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে একজনের পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়। সেকারণে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে কি সেই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত ছিল। সত্যিটা জানতে তাই সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করাতে চাইছেন তদন্তকারীরা।
কেবল সঞ্জয় রায় নয় এই ঘটনায় আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাকে পর পর ৬ দিন ধরে ডেকে জেরা করছে তদন্তকারীরা। সন্দীপ ঘোষ সত্যি কথা বলছে কিনা সেটা জানতেও পলিগ্রাফ পরীক্ষার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। সন্দীপ ঘোষকে কোনও ভাবেই সন্দেহের আওতা থেকে বাদ দিতে পারছেন না তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications