তৃণমূল-বিজেপি দুটোই ভিলেন, লুটেরাদের তাড়িয়ে মানুষের পঞ্চায়েত গড়ার ডাক সেলিমের

বাংলার মানুষ লুটেরাদের তাড়িয়ে মানুষের পঞ্চায়েত গড়তে চায়। কারণ তাঁরা বুঝে গিয়েছে তৃণমূল আর বিজেপি দুটোই ভিলেন। এদের সরাতে না পারলে বাংলার ভালো হবে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বাংলায় মানুষের পঞ্চায়েত গড়ার বার্তায় বলেন, গ্রাম জাগছে। আর রক্ষা নেই তৃণমূল ও বিজেপির।

মহম্মদ সেলিম বলেন, আমরা পঞ্চায়েতের তারিখ চাইছি। আর ওরা দেখুন কোর্টে গিয়ে চুরি, দুর্নীতির তদন্ত রুখতে তারিখ চাইছে। আমরা বলছি,চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি চ্যালেঞ্জ নাও, পঞ্চায়েত ভোটের তারিখ দাও। কিন্তু ওরা সেই চ্যালেঞ্জ নিচ্ছে না, পঞ্চায়েত ভোটের তারিখও দিচ্ছে না।

মানুষের পঞ্চায়েত গড়ার ডাক সেলিমের

সেলিম বলেন, আমরা রাজ্যের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে চাইছি। জাতীয় স্তরেও তাই চাইছি। সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। রাজ্যের সঙ্গে দেশেও আজ গণতন্ত্র বিপন্ন। এই অবস্থা থেকে দেশ তথা রাজ্যকে বাঁচাতে হবে। মমতার পাশাপাশি মোদীর কাছ থেকেও জবাব চাইছে দেশের মানুষ।

জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক যে প্রশ্ন তুলেছেন, সেই প্রশ্নের জবাব মোদীর কাছ থেকে চাইছে মানুষ। পুলওয়ামায় কীভাবে আরডিএক্স এল, কেন বিমান ব্যবস্থা হল না। কেন বাসে করে নিয়ে যাওয়া হল আধা সামরিক বাহিনীকে? সেই প্রশ্নের উত্তর চাইছে মানুষ।

মানুষের পঞ্চায়েত গড়ার ডাক সেলিমের

সিপিএম রাজ্য সম্পাদক বলেন, মরদেহ ব্যবহার করে ভোট করানো হল। নিউক্লিয়ার অস্ত্রের মহড়া হল। এখনো মুখ খুললেন না প্রধানমন্ত্রী, উল্টে প্রাক্তন রাজ্যপালের বিরূদ্ধে পুলিশ, ইডি, সিবিআই লাগিয়ে দিয়েছেন। এভাবে গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

সেলিম অভিযোগ করেন, আরএসএস খুনের ঘটনা ঘটায়। আর আবেগ তৈরি করে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে। এরকম ঘটনা বাংলাতেও ঘটানো হচ্ছে। দাঙ্গা হাঙ্গামা করা হচ্ছে। এসবই বিজেপি ও আরএসএসের অনুপ্রেরণায় করা হচ্ছে। আর তা হচ্ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বদান্যতায়।

মানুষের পঞ্চায়েত গড়ার ডাক সেলিমের

সেলিম বলেন, ইদের নামাজের দিনেও রেড রোডকে রাজনীতির কাজে ব্যবহার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিহাস বদলে দেওয়া হচ্ছে। খিলাফত কমিটি দখল করেছে। ভোটের রাজনীতি করছে। এভাবেই গঙ্গাসাগর মেলা করছে। আরএসএসের ধর্মীয় উৎসবকে রাজনীতিতে ব্যবহার করছে।

তিনি এ ব্যাপারে দারিভিট-কাণ্ড, রানাঘাট, হাসখালির ঘটনা কথা মনে করিয়ে দেন। কালিয়াগঞ্জে অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে। এর আগে মালদহ, বেলদা, কোচবিহারে নতুন নতুন দাঙ্গার চেষ্টা করা হয়েছে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো কোনো রেকর্ড দিচ্ছে না। রাজ্য তো নয়ই।

মানুষের পঞ্চায়েত গড়ার ডাক সেলিমের

তিনি আরও বলেন, এসএফআই-ডিওয়াইএফআই গিয়েছিল। ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যত নির্বাচন আসবে ততই এরকম ঘটনা ঘটবে। কারণ, তৃণমূল ও বিজেপির কাছে মানুষের জন্য কিছু নেই। এয়ার কন্ডিশন বাহন নিয়ে আসছে। নিরাপত্তার নাম করে সরকারি ব্যবস্থা করা হচ্ছে মোহন ভগবৎ, অমিত শাহদের জন্য।

এ প্রসঙ্গে সেলিম বলেন, বাংলার মানুষের থেকে স্বস্তি পাবেন না। বাংলার মানুষ লুটেরাদের তাড়িয়ে মানুষের পঞ্চায়েত গড়বে। রাজ্যে যারা মতুয়া, নমশূদ্র রয়েছেন, তাঁদের অপমান করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের সার্থ বিক্রি করছে। ভাষা ও খাবার দিয়ে ভাগাভাগি করছে।

তাঁর কথায়, তৃণমূল, বিজেপি দুটোই ভিলেন। আমরা মনে করি মানুষ এদের ব্যর্থ করবে। বাংলায় আবার মানুষের পঞ্চায়েত তৈরি হবে। বিজেপি ও তৃণমূলকে মানুষ তাড়া করবে। যতই বন্দোবস্ত করুক না কেন। সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামবে। ডান্ডা হাতে নিয়ে রাস্তায় নামবে। আর রক্ষা নেই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+