শহর জুড়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করতে বেশ কিছু দক্ষ কর্মী নিয়োগের পথে কলকাতা পৌরসভা

শহর জুড়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করতে বেশ কিছু দক্ষ কর্মী নিয়োগের পথে কলকাতা পৌরসভা

কিছুদিন আগেই শহর জুড়ে বিপজ্জনক বাড়ি গুলি ভেঙে ফেলার কথা জানায় কলকাতা পৌরসভা। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৫০০টি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় পৌরসভাকে। এবার ওই নির্মাণগুলি ভাঙার ক্ষেত্রে আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে বেশ কিছু দক্ষ কর্মী নিয়োগ করার পথে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশন বা কেএমসি। খুব শীঘ্রই ধ্বংসস্তূপের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণের জন্য কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে।

বিল্ডিং রুল ২০০০-এর নতুন সংশোধনী

বিল্ডিং রুল ২০০০-এর নতুন সংশোধনী

পাশাপাশি ওই ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রাপ্ত আবর্জনা গুলি কি ভাবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা হবে সে ব্যাপারেও ভানা চিন্তা করা হচ্ছে। বায়ু দূষণ রোধে পৌরসভার বিল্ডিং বিভাগের তরফ থেকে বিশেষ ভাবে এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই বিষয়ে শীঘ্রই কলকাতা পৌরসভার বিল্ডিং রুল ২০০০-এর একটি সংশোধনী আনা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। ধ্বংস স্তূপের বর্জ্যগুলির যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য নিয়ে এই ক্ষেত্রে পারদর্শী ব্যক্তিদের নিয়োগের জন্যই মূলত এই পরিবর্তন।

অনুমোদন মেয়রের

অনুমোদন মেয়রের

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে পৌরসভার বাকি সদস্যরাও ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেছে এবং আগামী মাসে নির্ধারিত মাসিক সভায় এটি পাস হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পরে, বিষয়টিতে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রাজ্যের নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক বিভাগে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

জোরকদমে চলছে উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরির কাজ

জোরকদমে চলছে উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরির কাজ

কলকাতা পৌরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার বলেন, "আমরা ধ্বংস স্তূপের বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করা হয়েছে। এর জন্য শহরেরে বেশ কিছু জায়গাকে চিহ্নিত করে পরিকাঠামো তৈরির কাজও শুরু হয়ে গেছে। ছোট ছোট ইউনিট স্থাপনের মাধ্যমেই গোটা বিষয়টার হাতেখড়ি শুরু হয়েছে। "

অবৈধ ভাবে রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রী জমা করে রাখার ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা

অবৈধ ভাবে রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রী জমা করে রাখার ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা

অন্যদিকে শহরের একাধিক রাস্তায় অবৈধ ভাবে বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী যত্রতত্র জমা করে রাখার থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। যার জেরে প্রত্যহ নাজেহাল হতে হয় সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পথচারীদের প্রত্যেকেই। ইতিমধ্যে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে মেয়রের কার্যালয়ে।

ইতিমধ্যে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালও অবৈধ ভাবে নির্মাণ সামগ্রী যত্রতত্র জমা করার ক্ষেত্রে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। তারপরেই এই বিষয়ে নড়েচড়ে বসতে দেখা যায় কলকাতা পৌরসভাকে। আগস্ট মাসেই পৌর কমিশনার খলিল আহমেদ পৌর সভার বিল্ডিং বিভাগের প্রধানকে রাস্তা ও ফুটপাথ গুলিতে অবৈধভাবে নির্মাণ সামগ্রী জমা করে রাখা রোধ করতে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+