Haltu: আড়াই বছরের ছেলেকে কোলে বেঁধেই গলায় দড়ি মা-বাবার, হালতুতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ধৃত মামা-মামি

Haltu: ট্যাংরার পর হালতুতে একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু (Mysterious Death)। মঙ্গলবার বাড়ি থেকে মা, বাবা ও আড়াই বছরের ছেলের দেহ উদ্ধার। ঘরের দেওয়ালে লেখা সুইসাইড নোট থেকেই রহস্য উন্মোচন পুলিশের। তিনজনের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার মৃত সোমনাথ রায়ের মামা ও মামি। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের।

মঙ্গলবার সকালে কসবা থানার অধীন হালতুর পূর্বপল্লিতে সোমনাথ রায়, তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা রায় ও আড়াই বছরের ছেলে রুদ্রনীলের দেহ উদ্ধার হয়। ছেলের দেহ নিজের সঙ্গে বেঁধে গলায় দড়ি দিয়েছিলেন সোমনাথ। গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় স্ত্রীয়েরও ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, পেশায় অটোচালক সোমনাথ। এক কামরার ঘরেই থাকতেন তিনি।

haltu

মঙ্গলবার সকালে সোমনাথের বাড়িতে যান তাঁর সহকর্মীরা। অনেক ডাকাডাকি করে না পেয়ে দরজা ভেঙে তারা ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। ঘরের দেওয়ালেই লেখা ছিল সুইসাইড নোট। তাতে লেখা ছিল সোমনাথের মামা ও মামির নাম।

সোমনাথের বাড়ির পাশেই থাকেন তার মামা প্রদীপ ঘোষাল ও মামি নিলিমা ঘোষাল। অভিযোগ, এই মামা ও মামি বাড়ি দখলের ছক কষছিলেন। এই নিয়ে সোমনাথদের সঙ্গে প্রায়শই গন্ডগোল বাঁধত তাঁদের। দুজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

প্রতিবেশীরা জানান, আড়াই বছরের ছেলের অস্ত্রোপচারের জন্য কিছু টাকা দেনা হয়েছিল সোমনাথের। বিগত কয়েকদিন ধরে পাওনাদারেরা ভিড় জমাচ্ছিলেন বাড়ির চারপাশে। পারিবারিক বিবাদও চলত সম্পত্তি নিয়ে। সোমনাথের স্ত্রী মৃত সুমিত্রার পরিবার দাবি আত্মহত্যার ঘটনায় ২টি অভিযোগ দায়ের করে। তার মধ্যে একটি খুনের অভিযোগ দায়ের করেন সুমিত্রার বাবা। তিনজনের দেহ উদ্ধার করে কসবা থানার পুলিশ। সোমনাথের মাসিকেও থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সম্প্রতি ট্যাংরাতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। ব্যবসায় লোকসানের সম্মুখীন হয়ে চরম সিদ্ধান্ত নেয় দে পরিবার। ট্যাংরার অতল শূর লেনে ১৯ ফেব্রুয়ারি দে পরিবারের তিন মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। মৃত দুই গৃহবধূ সুদেষ্ণা ও রোমি। কিশোরী প্রিয়ম্বদার মৃত্যু হয়। ওইদিনই গভীর রাতে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে বাইপাসে গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটান ছোট ছেলে প্রসূন, বড় ছেলে প্রণয় ও প্রসূনের ভাইপো (প্রণয়ের নাবালক ছেলে)।

এনআরএসে ভর্তি থাকার সময় প্রসূনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। স্ত্রী বৌদি ও মেয়েকে গলার নলি ও হাতের শিরা কেটে খুনের কথা কবুল করেন ছোট ভাই প্রসূন। তাঁকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কসবার রায় পরিবার। ট্যাংরার ঘটনা থেকে প্রভাবিত হয়েই কি সপরিবারে আত্মহত্যা? গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+