বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে থানা ও জেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ, কড়া নির্দেশ দিল হাইকোর্ট
বিজেপি কর্মী সঞ্জয় বেরার মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। এই অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ মৃতের পরিবার। কলকাতা হাইকোর্ট শুনানির পর একাধিক নির্দেশ দিল। বিজেপি কর্মী মৃত্যুর ঘটনায় ডেবরা থানা ও জেলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। নির্দেশ আদালতের।
আজ বুধবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এই মামলার আবেদন হয়। দুপুরের পরে এই মামলার শুনানি হয়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মৃতের পরিবারের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সিবিআই তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছে।

লোকসভা নির্বাচনে ফলের দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় বিজেপি - তৃণমূল সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনায় বিজেপি কর্মী সঞ্জয় বেরা গ্রেফতার হন। পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তিনি অসুস্থ হন। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো হয়৷ গত মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
এদিন শুনানির সময় একাধিক বিষয় সামনে এসেছে। আদালতও একাধিক বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপি কর্মী মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ দরকার। ডেবরা থানা ও জেলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
নিম্ন আদালতে রিপোর্ট পেশ করেছে পুলিশ। সেই রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে পেশ করতে হবে। জেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। মৃতদেহের ময়নাতদন্ত কোনও কেন্দ্রীয় হাসপাতালে হোক৷ পরিবারের তরফ থেকে আর্জি জানানো হয়েছিল।
এক্ষেত্রে রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএমের উপরেই ভরসা রেখেছে হাইকোর্ট। এসএসকেএম হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা বিশেষ দল গঠন হবে। তারাই ময়নাতদন্ত করবেন। ময়নাতদন্তের সম্পূর্ণ ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। মৃতদেহ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। নির্দেশ বিচারপতি সিনহার।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার আগামী বুধবারের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করবেন। পরবর্তী শুনানিতে রিপোর্ট দেখবেন বিচারপতি। আগামী ২৬ জুন পরবর্তী শুনানি।












Click it and Unblock the Notifications