১০০ কোটির শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ, গ্রেফতার বিমানবন্দরের আরও এক পদস্থ কর্তা
ফের গ্রেফতার বিমানবন্দরের এক পদস্থ কর্তা। গ্রেফতার হওয়া পদস্থ ওই কর্তার নাম গিরিশ শর্মা। বিমানবন্দর দিয়ে মালপত্র চোরাপথে বের করার অভিযোগেই কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে গিরিশ শর্মাকে।
ফের গ্রেফতার বিমানবন্দরের এক পদস্থ কর্তা। গ্রেফতার হওয়া পদস্থ ওই কর্তার নাম গিরিশ শর্মা। বিমানবন্দর দিয়ে মালপত্র চোরাপথে বের করার অভিযোগেই কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে গিরিশ শর্মাকে।

বছর দেড়েক ধরে বিমানবন্দর দিয়ে মাল পাচারের অভিযোগ পেয়েছিল শুল্ক দফতরের স্পেশাল ইনটেলিজেন্স ব্যুরো। সেই মতো অভিযানও চালানো হয়। এইমাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে গ্রেফতার করা হয় এয়ারপোর্টের কর্মী শঙ্করনারায়ণ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁকে জেরা করেই এইদিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার গিরিশ শর্মার খোঁজ পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে।
শঙ্করনারায়ণ মুখোপাধ্যায় ছিলেন এয়ারপোর্টের ডেটা এন্ট্রি বিভাগের কর্মী। একইসঙ্গে তিনি ছিলেন কর্মী ইউনিয়নের সেক্রেটারিও। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে সব মালের হিসেব রাখার কথা থাকলেও, অনেক সময়ই তা নিজের 'হাতযশ' -এর মাধ্যমে অনেক মালের তথ্য রাখতেন না তিনি। সিসিটিভির নজরদারি এড়িয়ে কম্পিউটার থেকে তথ্যও মুছে দিতেন বলে শঙ্করনারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। প্রায় একশো কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।
শঙ্করনারায়ণ মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার গিরিশ শর্মার নাম পাওয়া যায়। তাঁকে কলকাতায় ডেকে পাঠানো। এরপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন শুল্ক দফতরের স্পেশাল ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর কর্তারা। এরপরেই গিরিশ শর্মাকে গ্রেফতার করা হয়। দুজনের বিরুদ্ধেই হিসেব বহির্ভূত আয়ের অভিযোগ রয়েছে।
শুল্ক দফতরের স্পেশাল ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর কর্তাদের অনুমান, ধৃত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে চলা অবৈধভাবে মাল পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও বেশ কয়েকজন বিমানবন্দরের কর্মীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।












Click it and Unblock the Notifications