রেড রোড গাড়ি চাপা কাণ্ড : কোন পথে এবার এগোতে পারে তদন্ত?
কলকাতা, ১৯ জানুয়ারি : সাম্বিয়া সোহরাব, শাহনওয়াজ খান ওরফে শানুর পরে এদিন সকালে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে অপর অভিযুক্ত জনি। এদিন শানু ও জনিকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাদের সাম্বিয়ার মতোই আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
শানুর মতো জনির পরিবারও দাবি করেছে তাদের বাড়ির ছেলে নির্দোষ। এবং সেইমতো তদন্তে সাহায্য করতে তারা আত্মসমর্পণ করেছে। তবে এটিকে গ্রেফতার হিসাবে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

ঘটনার দিন ঠিক কী হয়েছিল তা নিয়ে এখনও অনেক ধোঁয়াশা রয়েছে। সাম্বিয়া গাড়ি চালাচ্ছিল নাকি অন্য কেউ সেটা স্পষ্ট নয়। সাম্বিয়ার অডি কিউ-৭ গাড়িতে শানু ও জনি ছিল বলে যে দাবি করা হয়েছে, সেটাও এখনও নিশ্চিত নয়।
জনি ও শানু দুজনের তরফেই জানানো হয়েছে, তারা সেই গাড়িতে ছিল না। গাড়ি চালাচ্ছিল সাম্বিয়াই। তাদের ফাঁসানোর জন্য নতুন তথ্য সামনে আনা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে এদের পরিবার।
তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জনি ও শানুর বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। এমনকী সাম্বিয়ার কয়েকটি বক্তব্যও এদের সঙ্গে মিলছে না। ফলে এদিনের পুলিশ হেফাজতের পরে তিনজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চলেছে কলকাতা পুলিশ।
জনি ও শানুর পরিবার জানিয়েছে, ঘটনার দিন ভোরে দুজনেই সাম্বিয়ার সঙ্গে না গিয়ে স্কোডা গাড়ি চেপে বাড়ি এসে শুয়ে পড়েছিল। পরে সাম্বিয়া সেখানে এসে গোটা ঘটনা জানালে তারা তা জানতে পারে।
এখানেও প্রশ্ন উঠছে, বাকী দুজনে যদি ঘটনায় সাম্বিয়ার সঙ্গী না হতো, তাহলে তারা পালিয়ে গেল কেন? কেন সরাসরি পুলিশের কাছে এসে মুখ খুলল না?
পাশাপাশি আরও একটি ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, জনি ও শানু বলেছে, তারা নাকি রাত ১২ টা নাগাদ দইঘাটে রেস্তরাঁয় পৌঁছে মদ্যপান করে। এরপরে ভোর ৬টা ১০ মিনিটে রেড রোডে অডি গাড়িটি বায়ুসেনা জওয়ানের প্রাণ কেড়ে নেয়।
মাঝের এতোটা সময় এই তিনজন কোথায় ছিল ও কি করেছে তা স্পষ্ট হয়নি এখনও। এদিন তিনজনকেই হাতে পেয়ে মুখোমুখি জেরায় এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বসবে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। এরপরই তদন্তের মাধ্যমে উঠে আসবে ঘটনার দিন ঘাতক অডি গাড়ির চালক কে ছিল!












Click it and Unblock the Notifications