দুর্গাপুজোয় প্রতিমা নিরঞ্জনে দুর্ঘটনা এড়াতে এই ব্যবস্থা নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ
প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে পুলিশ বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা পরিক্লপনা করে রেখেছে।
কিছুদিন আগেই গণেশপুজোর বিসর্জন উপলক্ষ্যে বাজে কদমতলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান ৩ জন। সেই ঘটনাকে মাথায় রেখে এবার দুর্গাপুজোর ঠাকুর বিসর্জন নিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের বেশ কিছু নির্দেশ দিল কলকাতা পুলিশ।

লালবাজার সূত্রের খবর , প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে পুলিশ বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা পরিকল্পনা করে রেখেছে। এবিষয়ে কলকাতার কয়েকটি বড় পুজো উদ্যোক্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন, পুলিশের বেশ কয়েকজন বড় আধিকারিক। বুধবার কলামন্দিরের এই বৈঠকে বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা পুজো উদ্যোক্তাদের দেন পুলিশ আধিকারিকরা।
নির্দেশে বলা হয়েছে, পুলিশ রেলের সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনের বিষয়ে কথা বলেছে। প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য তৈরি হবে হাইটবার। ১৭ ফুট উচ্চতার এই হাইটবার তৈরি করা হবে। তা না হলে রেলের হাইটেনশন তারকে ছুঁয়ে ফেলবে প্রতিমাগুলি। ফলে আবারও অসাবধানতাবশত ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।
প্রথম হাইটবারটি তৈরি হবে বাজে কদমতলা ঘাটে। এর সঙ্গে অন্যান্য অনেককটি ঘাটেও এই হাইট বার তৈরি করা হবে। এর পাশপাশি পুজো উদ্যোক্তারা বেশ কিছু দাবি দাওয়া তথা আবেদন জানিয়েছে পুলিশের কাছে জানিয়েছেন। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের তরফে জানানো হয়েছে, পুজোর সময়ে রাস্তায় যাতে জল না জমে তার জন্য ব্যবস্থা নিতে। ২৫ পল্লী খিদিরপুরের দুর্গোৎসব কমিটি জানিয়েছে , ডিএইচ রোজ যাতে মেরামত করা হয়। ৪১ পল্লী হরিদেবপুরর পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন এম জি রোড সংস্কার করার কথা।ম্যডক্স স্কোয়ার বালিগঞ্জ আবেদন জানিয়েছে, পুজোর সময়ে প্যান্ডেলের আসে পাশে বাইকবাহিনীর দৌরাত্ম্য কমানোর কথা। বাদামতলা আষাঢ় সংঘরের দাবি, প্যান্ডেলে আরও বেশি মাত্রায় মহিলা পুলিশ দেওয়া হোক।



গোটা বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুলিশের সিপি হেডকোয়ার্টার সুপ্রতিম সরকার জানিয়েছেন, পুজো ঘিরে যেকোনও সমস্যা কাটাতে বা কারোর কোনও অভিযোগ থাকলে উদ্যোক্তারা তা পুলিশকে জানাতে পারেন। এ জন্য একটি কমপ্লেন বক্সও তৈরি করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে গাছ কাটা থেকে শুরু করে বাকি রাস্তা সংস্কার সংক্রান্ত নানা কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications