নারদের হুলে সিবিআই পৌঁছল কাকলির ঘরে, কবে মিলল হাজিরার নির্দেশ
নোটিশ পাওয়ার পরই সিবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তৃণমূল সাংসদের। নিজাম প্যালেসে গিয়ে হাজিরা দেওয়ায় অসুবিধার কথা জানান কাকিলদেবী। তাঁর অনুরোধ মেনেই বাড়িতে জেরা।
নারদকাণ্ডে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই। শুক্রবার তাঁর মধ্যমগ্রামের বাড়িতে যায় সিবিআইয়ের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। ডিএসপি রঞ্জিত কুমারের নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধি দল বারাসতের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদকে দফায় দফায় জেরা করে বলে দাবি সিবিআইয়ের। কাকলিদেবীর বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানায় সিবিআই।[আরও পড়ুন:সারদায় ইস্টবেঙ্গল- মোহনবাগান, নারদায় কি এবার ফাঁসতে চলেছে মহমেডান]

কিন্তু কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বাড়িতে সিবিআই হানার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, 'আমার বাড়িতে কোনও সিবিআই অফিসার আসেননি। আমাকে জেরাও করা হয়নি। এসব অযথা রটনা করা হচ্ছে। মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এই সব খবরে। ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে খেলার অনুষ্ঠানে তিনি রয়েছেন। গল্পের গরু গাছে তোলা হচ্ছে, এগুলো ঠিক নয়।[আরও পড়ুন:নারদে তলব কাকলি ঘোষ দস্তিদার, নোটিশ পেয়ে কী বললেন তৃণমূল সাংসদ]
উল্লেখ্য, সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার ই-মেল করে নোটিশ পাঠানো হয় কাকলিদেবীকে। তাঁকে সোমবার বা মঙ্গলবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল ওই নোটিশে। সিবিআই জানিয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদকে প্রথমে ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁকে মেল করে নোটিশ পাঠানো হয়।

সিবিআইয়ের দাবি, এই নোটিশ পাওয়ার পরই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তৃণমূল সাংসদের। নিজাম প্যালেসে গিয়ে হাজিরা দেওয়ায় অসুবিধার কথা জানান কাকিলদেবী। তখন সাংসদের অনুরোধ মেনেই বাড়িতে জেরা করার ব্যাপারে সম্মত হয় সিবিআই। সেইমতোই সিবিআই আধিকারিকরা শুক্রবার তাঁর মধ্যমগ্রামের বাড়িতে হানা দেন।
কয়েকদিন আগে সারদাকাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিনেত্রী-সাংসদ শতাব্দী রায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে দফায় দফায় জেরা করে সিবিআই। বাড়িতেও তল্লাশি চলানো হয়। এবার তৃণমূলের আর এক মহিলা সাংসদের বাড়িতেও হানা দিল সিবিআই। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বাড়িতে গিয়ে মূলত নোটিশ ধরিয়ে আসেন সিবিআই অফিসাররা। সেইসঙ্গে অল্পবিস্তর জেরাও করা হয় তাঁকে।
নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিও ফুটেজে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল। সেই টাকা তিনি কী কাজে খরচ করেছেন, কেনই বা টাকি নিয়েছিলেন, তা জানতেই সিবিআই তদন্তকারী অফিসাররা চেষ্টা চালান। এর আগে পাঁচজন তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী-সাংসদদের তলব করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
সিবিআই নোটিশ পাঠায় তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। এছাড়া সৌগত রায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, ইকবাল আহমেদ ও সুলতান আহমেদকে দফায় দফায় তলব করে সিবিআই ও ইডি। এঁদের মধ্যে সুলতান আহমেদ ও ইরবাল আহমেদের একাধিকবার মুখোমুখি হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের।












Click it and Unblock the Notifications