RG kar Hospital: 'অভয়া'র নাম পুলিশ কমিশনারের মুখে, হাইকোর্টে মামলা! আরও চাপ বাড়ল বিনীত গোয়েলের
RG kar Hospital Doctor Death: আরও উদ্বেগ বাড়ল বিনীত গোয়েলের (CP of Kolkata police Vinit Goyal)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে 'অভয়া'র নাম কলকাতা পুলিশ কমিশনারের মুখে। সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন সেই নাম। আর সেই অভিযোগ জানিয়ে বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক আইনজীবী।
যেখানে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়েছে। যদিও এই সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তাই কিছুদিন মামলাকারী আইনজীবীকে অপেক্ষা করতে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির। আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় জুনিয়ার ডাক্তারকে ধর্ষণ করে নৃশংস ভাবে খুন (RG kar Hospital Doctor Death) ।

আর এই ঘটনায় তোলপাড় বাংলা সহ গোটা দেশ (RG kar Hospital Doctor Death) । প্রতিবাদ চেয়ে দলে দলে পথে নামছেন সাধারণ মানুষ। ঘটনায় কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ চেয়ে গত ২২ ঘণ্টা ধরে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়েছেন জুনিয়ার ডাক্তাররা।
শুধু তাই নয়, খোদ বিনীত গোয়েলের হাতেই তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলে দিয়ে এসেছেন। শুধু তাই নয়, এই দাবিতে লাগাতার ধর্না চলবে বলেও স্পষ্ট আন্দোলনরত জুনিয়ার ডাক্তারদের। আর এর মধ্যেই নতুন করে চাপ বাড়ল কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের। 'অভয়া'র নাম প্রকাশ্যে আনার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের। শধু তাই নয়, ভারতীয় দন্ডবিধি এবং ন্যায়সংহতিতেও স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে নির্যাতিতার নাম এবং পরিচয় আনা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এমনকি বিশেষ করে আরজি কর মামলায় 'অভয়া'র নাম এবং ছবি নিয়ে কড়া বার্তা দেয় সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টও। কার্যত নিয়মকে না মেনেই 'অভয়া'র নাম প্রকাশ্যে বলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে। এই বিষয়ে মামলাকারী আইনজীবী অমৃতা পাণ্ডের প্রশ্ন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও নির্যাতিতার নাম উল্লেখ।
এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ রয়েছে। এরপরেও পুলিশ কমিশনার সেটি অগ্রাহ্য করে নাম জানিয়েছেন মিডিয়াকে। আর সেই অভিযোগ জানিয়ে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ চেয়ে মামলা করার আর্জি আইনজীবী অমৃতা পাণ্ডের।
এক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা রয়েছে। সেখানে কেন জানাচ্ছেন না? আপাতত মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন। তাই হাইকোর্টে এই বিষয় কোন শুনানি নয়। কিছুদিন অপেক্ষা করার নির্দেশ আদালতের। তবে এই বিষয়ে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের চাপ যে বাড়ল তা স্পষ্ট।












Click it and Unblock the Notifications