এবার ভূপতিনগর থানার পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ কলকাতা হাইকোর্টের
এনআইএর উপর হামলা হয়েছে ভূপতিনগরে৷ এবার সেই ভূপতিনগর থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ কলকাতা হাইকোর্টের। থানার ওসি যে লিখিত বক্তব্য রেখেছেন, তা আদালত অবমাননার সামিল। এই ধরনের রিপোর্ট কীভাবে পেশ হল? ক্ষুব্ধ বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।
তপন মিদ্দা নামে এক বিজেপি স্থানীয় নেতা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে গত তিন বছরে ২৬ টি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে ভূপতিনগর থানা। তার মধ্যে ১৫ টিতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলাকারীর অভিযোগ, কোনও এফআইআরে তার নাম নেই।

কলকাতা হাইকোর্ট এই বিষয় ভূপতিনগর থানার কাছে জানতে চায়। হাইকোর্টের রক্ষাকবচের ফলে আগামী নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারে অভিযুক্তরা। পুলিশের রিপোর্টে এমন মন্তব্য দেখে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট। ভূপতিনগর থানার ওসিকে ব্যাখ্যা দিতে হবে আদালতে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই ওসিকে এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা নিয়ে হাজির হতে হবে আদালতে।
বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের প্রশ্ন, এমন আদালত অবমাননারকর মন্তব্য ওসি রিপোর্টে লেখার সাহস পেলেন কীভাবে? তাকে আদালতে এসে ব্যাখ্যা দিতে হবে। অভিযুক্তদের হাইকোর্টের দেওয়া রক্ষাকবচের ফলে কোন ভোট বানচাল হয়েছে? প্রশ্ন বিচারপতির।
তপন মিদ্দা নামে এক স্থানীয় বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় অভিযোগ রয়েছে। গত তিন বছরে ২৬ টি মামলা দায়ের করেছে ভূপতিনগর থানা। শুধু তাই নয়, তার মধ্যে ১৫ টি মামলায় চার্জশিটও দায়ের হয়েছে। তপন মিদ্যার দাবি, কোনও এফআইআর- এ তার নাম নেই। একট মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে একের পর এক মামলায় ভূপতিনগর থানা তাকে শোন অ্যারেস্ট করেছে।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন উঠেছে। ওসির বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মোট কত মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে? সেই বিষয় জানতে চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications