Bhawanipore :ভবানীপুরে সূচি মেনে ভোট, নির্বাচন কমিশনকে চিঠির জন্য মুখ্যসচিবকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনে আর কোন বাধা রইলো না নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের তবে ভবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের যে খরচ তাকে বহন করবে সেই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী 17 ই নভেম্বর তবে ভবানীপুর বিধানসভা উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য

COPY: ভবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনে (Bhabanipur By-election) কোনও রকমের কোনও বাধা রইলো না। তবে এদিন ভবানীপুর উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশনকে (election commission) দেওয়া মুখ্যসচিবের (chief secretary) চিঠি নিয়ে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (calcutta high court) তরফে। পাশাপাশি ভবানীপুরের উপনির্বাচনের যে খরচ, তা বহন করা সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৭ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

সূচি মেনেই ভোট ভবানীপুরে

সূচি মেনেই ভোট ভবানীপুরে

এদিন ভবানীপুরে উপ নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার আদেশ দিতে গিয়ে হাইকোর্টের তরফে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি ভরদ্বাজের বেঞ্চ জানিয়েছে, ভবানীপুরের উপনির্বাচন নিয়ে আর কোনও বাধা নেই। তবে বাধা থাকার কথাই নয়। কেননা ভবানীপুরে নির্বাচন হওয়াকে চ্যালেঞ্জ করে এই মামলা ছিল না।

মুখ্যসচিবের চিঠির কড়া সমালোচনা

মুখ্যসচিবের চিঠির কড়া সমালোচনা

এদিনের রায়ে মুখ্যসচিবের চিঠির কড়া সমালোচনা করা হয়েছে হাইকোর্টের তরফে। মূলত ৪ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের তরফে ভবানীপুরের উপনির্বাচন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় বিজ্ঞপ্তির ছয় ও সাতনম্বর প্যারা নিয়ে আদালতের সামনে আপত্তি জানানো হয়েছিল, কোনও মুখ্যসচিব নির্বাচন কমিশনের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য চিঠি লিখতে পারেন কিনা, তা নিয়ে। প্রসঙ্গত মুখ্যসচিব নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে লিখেছিলেন ভবানীপুরে উপনির্বাচন না হলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে সেই কথাই উল্লেখ করে কমিশন। এনিয়ে রায় দিতে গিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট বলেছে, মুখ্যসচিব একজন পাবলিক সার্ভেন্ট। তিনি নিজের কাজ না করে একজনের ইন্টারেস্টকে সিকিওর করেছেন। প্রসঙ্গত মামলাকারীর আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন নির্বাচন না হলে রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়নি।

 খরচ বহনের প্রশ্নে শুনানি পরে

খরচ বহনের প্রশ্নে শুনানি পরে

এছাড়াও আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা মামলায় উপনির্বাচনের খরচ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। একজন ব্যক্তি একই দলে, যিনি দলবদল করেননি, তিনি সুস্থই রয়েছে (তাঁর মৃত্যু হয়নি) কিন্তু তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পরিচালনা করতে খরচ হয় প্রায় ৩ কোটি টাকার মতো। সেই টাকা কেন তৃণমূলের কাছ থেকেই আদায় করা হবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। আদালতের তরফেও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এমন ক্ষেত্রে নতুন করে ভোটের খরচ কেন জনগণের টাকা হবে। আদালত এব্যাপারে শুনানির দিন ধার্য করেছে ১৭ নভেম্বর।

যে দল হারবে, সে দল ভবানীপুর নিয়ে মামলা করতে পারে

যে দল হারবে, সে দল ভবানীপুর নিয়ে মামলা করতে পারে

এদিন আদালতের তরফে আরও জানানো হয়েছে, নির্বাচনে যে দল হারবে, তারা ভবানীপুর নিয়ে মামলা করতেই পারে। এব্যাপারে কোনও বাধা নেই বলেও জানানো হয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+