রাতের কলকাতায় লিফট দেওয়ার নামে তরুণীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ! চাকরি গেল সিভিক ভলান্টিয়ারের, সাসপেন্ড এএসআই
রাতের কলকাতায় তরুণীর শ্লীলতাহানির (Molestation) অভিযোগে এক এএসআই (asi) এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ার (civic volunteer) গ্রেফতার। শনিবার গভীর রাতের এই ঘটনায় বিধাননগর পুলিশের (Bidhannagar Police) এএসআইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অ
রাতের কলকাতায় তরুণীর শ্লীলতাহানির (Molestation) অভিযোগে এক এএসআই (asi) এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ার (civic volunteer) গ্রেফতার। শনিবার গভীর রাতের এই ঘটনায় বিধাননগর পুলিশের (Bidhannagar Police) এএসআইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে সিভিক ভলান্টিয়ারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার রাতে আসানসোল থেকে কলকাতায় আসেন তরুণী
সূত্রের খবর অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে বছর ২৫-এর ওই তরুণী আসানসোল থেকে করুণাময়ী বাসস্ট্যান্ডে এসে নামেন। বাসের অন্যযাত্রীরা যে যাঁর নিজের মতো ব্যবস্থা করে কিংবা অ্যাপ ক্যাব বুক করে গন্তব্যে চলে যান। তরুণীর বয়ান অনুযায়ী, তিনি গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন করুণাময়ী বাসস্ট্যান্ডেই। সেই সময় তাঁর একটি মোবাইলে চার্জ ফুরিয়ে গিয়েছিল। অপরটিতে ইন্টারনেট না থাকায় তিনি ক্যাব বুক করতে পারেনি বলেই জানিয়েছেন।

গভীর রাতে পুলিশের সাহায্য প্রার্থনা
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, রাত প্রায় একটা নাগাদ ওই তরুণী পুলিশের দুটি বাইককে দেখতে পেয়ে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। সেই মতো পুলিশকর্মীরা সাহায্যের জন্য এগিয়েও আসেন। তরুণী উল্টোডাঙায় পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।

দুটি বাইকে ছিল অভিযুক্ত দুজন
জানা গিয়েছে, দুটি বাইকের মধ্যে প্রথমটিতে ছিল অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার অভিষেক মালাকার। তবে সে সাদা পোশাকে ছিল বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় বাইকে ছিল অভিযুক্ত এএসআই সন্দীপকুমার পাল। তিনিও পোশাকে ছিলেন না। তিনি বিধাননগর ট্রাফিক গার্ডে কর্মরত বলেই জানা গিয়েছে। এএসআই-এর বাইকটি চালাচ্ছিলেন শম্ভু মণ্ডল নামে অপর একজন।

তরুণীর অভিযোগ
তরুণীর অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে তাঁকে নিয়ে খানিকটা পথ যান সিভিক ভলান্টিয়ার। সল্টলেক সিটি সেন্টার পার করে এএসআই যে বাইকে যাচ্ছিলেন, সেখান থেকে নেমে গিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারের বাইকে গিয়ে ওঠেন। বসেন তরুণীর পিছনে। অভিযোগ, এরপরেই বাইপাসে গিয়ে চলন্ত বাইকেই তরুণীর শ্লীলতাহানি করা হয়। তরুণীকে কাদাপাড়া ক্রসিং-এর কাছে নামিয়ে দেওয়া হয়।
এইসময় তরুণী তাঁর এক বন্ধুর সাহায্য চান। সেই বন্ধুই তাঁকে কসবা থানায় নিয়ে যান। কিন্তু কসবা থানা থেকে তরুণীকে বিধাননগর মহিলা থানায় যেতে বলা হয়। তবে সব শেষে বিধাননগর উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন তদন্ত শুরু করে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে রাতের কলকাতায় পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠার শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দুজনকে সোমবার আদালতে তোলা হবে। অন্যদিকে, রাজ্য মহিলা কমিশনের তরফে সোমবার মামলা দায়ের করা হবে বলে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications