RG Kar Hospital Update: অনশনে অনড় চিকিৎসকরা, তদন্ত কমিটির রিপোর্টে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য
সুরক্ষা নিরাপত্তার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছে জুনিয়র ডাক্তাররা। দিনের পর দিন থ্রেট কালচারের শিকার রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মাদক খাওয়ানো থেকে শুরু করে যৌন নির্যাতন। সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপর দিনের পর দিন চলেছে এই অত্যাচার। বুক ফেটে কান্না বেরিয়ে আসার মতো অভিযোগের পাহাড় জমা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য দফতর। ১০ জন চিকিৎসককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
থ্রেট কালচারে জড়িত থাকায় যে সব চিকিৎসকদের নাম প্রকাশ্যে আসছে তাঁদের অধিকাংশই আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ। অভীক দে, বিরূপাক্ষ বিশ্বাস, সৌরভ পালরা কাঠগড়ায়। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারের পাশাপাশি চলত যৌন হেনস্থা, জোর করে ড্রাগ খাওয়ানো থেকে শুরু করে একের পর বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এবং তাতে বারবার উঠে এসেছে সন্দীপ ঘোষের নাম। অনেকটা বেতাজ বাদশার মতোই আরজি কর শাসন করত সন্দীপ ঘোষ।।
আরজি কর হাসপাতালে অধ্যক্ষ থাকাকালীন মর্গের দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ পাচারের পাশাপাশি চলত বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্যেরও দুর্নীতি। ব্যবহার করা ইনজেকশনের সিরিঞ্জ ফের ব্যবহার করা হতো। এরকম একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিল। ডাক্তারি পড়ুয়াদের ভয় দেখিয়ে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা টাকা আদায় করতেন তিনি। সেই সঙ্গে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এবার তদন্ত কমিটির রিপোর্টে আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।
সন্দীর ঘোষ এবং তার দলবলের নেতৃত্বে হাসপাতালে রীতিমতো ড্রাগের ব়্যাকেট চলত। আরজি কর হাসপাতালে ড্রাগ চক্র কাজ করত বলে তথ্য জানা গিয়েছে। এই ড্রাগ সরবরাহ করত সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকরাই। এমনকী কেবল নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসক নন একাধিক ডাক্তারি পড়ুয়া যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আরজি কর হাসপাতালে। পুরোটাই চালাত সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকরাই।
তাতে বীরূপাক্ষ বিশ্বাস, অভীক দে, সৌরভ পালদের নামও রয়েছে। জুনিয়র ডাক্তারদের মদ এবং ড্রাগ কিনতে বাধ্য করা হতো। প্রায় ৮০ জন চিকিৎসক এবং পড়ুয়া এই অভিযোগ জানিয়েছে তদন্তকমিটির কাছে। এমকী সিবিআইয়ের হাতেও তারা সেই তথ্য তুলে দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications