নির্ধারিত সময়সীমার আগেই দেশ ছাড়ল মার্কিন সেনা, বাজি ফাটিয়ে উৎসবে মাতল তালিবানেরা
নির্ধারিত সময়সীমার আগেই দেশ ছাড়ল মার্কিন সেনা, বাজি ফাটিয়ে উৎসবে মাতল তালিবানেরা
দেওয়া হয়েছিল ডেডলাইন। এমনকী তা না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল তালিবানদের তরফে। অবশেষে সেই ডেডলাইন মেনেই বাইডেন কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার আগেই আফগানিস্তানের মাটি ছাড়ল মার্কিন সেনা। ২০ বছর পর আফগান ভূমি থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করল আমেরিকা। এদিকে মার্কিন দেশ ছড়াতেই কার্যত গোটা দেশেই উৎসবে মাতল তালিবানেরা।

গভীর রাতে বিবৃতি বাইডেনের
এদিকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া যে শেষ হল তা গভীর রাতেই বিবৃতি দিয়ে জানাতে দেখা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। যদিও তারা যএ তালিবান সরকারকে কোনোভাবেই স্বীকৃতি দেবে না তা স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ আফগানবাসীর সাহায্যের জন্য সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে আমেরিকা। কিন্তু মিলবে না তালিবানি স্বীকৃতি।

একাধিকবার হুমকি তালিবদের
অন্যদিকে তালিবান আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, ৩১ অগস্টের মধ্যেই আফগানিস্তানের মাটি ছাড়তে হবে আমেরিকা বাহিনীকে। এমনকী এই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে উদ্ধারকাজ। আর তারপর থেকেই বাড়ছিল উদ্বেগ। এমনকী তালিবানেরা এও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আফগান মাটি না ছাড়তে পারে মার্কিন সেনা, তবে তার ফল ভুগতে হবে তাদেরই। যা নিয়ে ব্যাপক চাপানৌতর শুরু হয় আন্তর্জাতিক মহলে। এদিকে বাইডেনের পূর্ব ঘোষণিত সময়সীমা অনুসারে আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান ছাড়ার কথা ছিল মার্কিন সেনার।

৩১ অগাস্ট পড়ার আগেই আমেরিকার শেষ বিমান ছাড়ে আফগান মাটি
এদিকে ঘড়ির কাঁটায় ঠিক যখন রাত ১১.৫৯। ক্যালেন্ডারের পাতায় ৩১ অগাস্ট পড়ার আগেই আমেরিকার শেষ বিমান আফগান মাটি ছাড়ে। সেই মুহূর্তকে উপভোগ করতে বাজি, বোমা ফাটিয়ে, বন্দুক থেকে গুলি ছুড়ে মুক্তির উল্লাসে মাতল তালিব সদস্যরা। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে 'পূর্ণ স্বাধীনতা' হিসেবে দেখছে তালিবানেরা। সাড়া রাতব্যাপী আতসবাজি পুড়িয়ে তারা উল্লাসে মেতেছে।

কী বলছেন আফগান মুখপাত্র
কাবুল বিমানবন্দরেরও ধরা পড়ল তালিব উচ্ছ্বাসের ছবি। সেনা প্রত্যাহারের পর উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে না পেরে তালিবান মুখপাত্র কারি ইউসুফ বলেন, "শেষ মার্কিন সেনা কাবুলের মাটি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরই আমরা পূর্ণ স্বাধীনতা পেলাম। এই জয় আমাদের সংগ্র্সীম যোদ্ধাদের।" এদিকে এখনও আফগানিস্তানের মাটিতে আটকে বহু বিদেশি নাগরিক। রয়েছেন বেশ কিছু মার্কিন নাগরিক। কিন্তু মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর সেই সমস্ত বিপর্যস্ত বিদেশিদের নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে আশঙ্কা।












Click it and Unblock the Notifications