এসএসসি ও দাখিল: মাধ্যমিক পরীক্ষায় যে কারণে পাসের হার বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশের বেশি
সারা দেশে এসএসসি এবং দাখিল মিলে ১১টি বোর্ডের সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা আগের তুলনায় বেশি। কী কারণ এই হার বৃদ্ধির?
বাংলাদেশে নতুন ব্যবস্থায় নেয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশের বেশি।
বৃহস্পতিবার ২০২১ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।
এতে দেখা যাচ্ছে, সারা দেশে এসএসসি এবং দাখিল মিলে ১১টি বোর্ডের সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
মাদ্রাসা বোর্ডেও পাসের হার বেড়েছে।
সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর শুধু এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯৪ দশমিক শূন্য আট শতাংশ।
মহামারির কারণে ২০২০ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অটোপাস দেয়া হয়েছিল, এর মানে হচ্ছে পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েই পাস করেছিলেন।
এর আগে ২০১৯ সালে সারাদেশে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তন
অনলাইন ক্লাসের সুফল শহরে, পিছিয়ে পড়ছে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা
স্কুলে মনোবিদ শিক্ষার্থীদের কী কাজে আসবে?
করোনাভাইরাস: স্কুল বন্ধে শিক্ষা কার্যক্রম ছাড়াও কী হারাচ্ছে শিশুরা?
তার আগের বছর একই পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেড় বছর শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর এ বছরের ১৪ই নভেম্বর এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা শুরু হয়।
যে কারণে পাসের হার বেড়েছে
পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, কারিগরি বাদে প্রায় প্রতিটি বোর্ডেই এবার ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী পাস করেছে।
পাসের হার বেশি হওয়ার কারণ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, "পাসের হার বৃদ্ধি পাবার একটা কারণ হতে পারে, এ বছর আমরা তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা নিয়েছি, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা হয়েছে এবং প্রশ্নপত্রে বিকল্প অনেক বেশি ছিল।"
"হয়ত এসব কারণে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভালো করেছে।"
এ বছরের এসএসসি পরীক্ষা ছিল মহামারির মধ্যে প্রথম কোন পাবলিক পরীক্ষা।
এতে অংশ নিয়েছিলেন ২২ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী।
মহামারির স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনা হয় দেড় ঘণ্টায়।
বাংলা, ইংরেজির মত আবশ্যিক বিষয়গুলোতে পরীক্ষা না নিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে কেবল তিনটি ঐচ্ছিক বিষয়ে আগের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।
পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ময়মনসিংহ বিভাগ, এ বোর্ডে ৯৭ দশমিক ৫২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।
সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ।
দেশের ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে।
বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর:
হরিদ্বারে হিন্দু সাধুদের মুসলিম হত্যার ডাকে বিব্রত ভারত
সমালোচনার মুখে কক্সবাজারে নারীদের জন্য আলাদা জোন বাতিল
এক কোটি শিক্ষার্থীকে যেভাবে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা দেয়া হবে














Click it and Unblock the Notifications