রানি এলিজাবেথের মৃত্যুর পর ঠিক কী হবে জানেন? ফাঁস হল সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য
বিশ্বের ইতিহাসে এখনও যে সব দেশে রাজ পরিবার স্বমহিমায় বিরাজ করছে, তার মধ্যে অন্যতম ব্রিটেন। ক্ষমতা সম্পূর্ণ রাজ পরিবারের হাতে না থাকলেও এখনও সেই পরিবারের মর্যাদা অক্ষুন্ন। আর সেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সবথেকে দীর্ঘ সময় ধরে যি
বিশ্বের ইতিহাসে এখনও যে সব দেশে রাজ পরিবার স্বমহিমায় বিরাজ করছে, তার মধ্যে অন্যতম ব্রিটেন। ক্ষমতা সম্পূর্ণ রাজ পরিবারের হাতে না থাকলেও এখনও সেই পরিবারের মর্যাদা অক্ষুন্ন। আর সেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সবথেকে দীর্ঘ সময় ধরে যিনি রানি হিসেবে রয়েছেন তিনি হলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

পুত্র, পুত্রবধূ, তাঁদের সন্তান-সন্ততিকে নিয়ে এখনও তাঁর ভরা সংসার। অনেক বিতর্কের ঝড় বয়ে গেলেও আজও বেকিংহাম প্যালেসের অন্দরমহলে রাজ আড়ম্বর অটুট। তাই রানি এলিজাবেথের মৃত্যু হলে যে ব্রিটেন জুড়ে রাজ সমারোহেই তাঁকে শেষ সম্মান জানানো হবে, তা প্রত্যাশিত।
কিন্তু রানির মৃত্যুর দিনটা ঠিক কেমন হবে? এবার ফাঁস হয়ে গেল সেই পরিকল্পনার কথাই। বর্তমানে রানির বয়স ৯৫ বছর। ব্রিটেনের ইতিহাসে তিনিই সবথেকে দীর্ঘসময় সিংহাসনে রয়েছেন। মাঝে মধ্যে অসুস্থ হলেও আপাতত সুস্থই রয়েছেন তিনি।
তবে যেহেতু রানির মৃত্যু কোনও যেমন-তেমন বিষয় নয়, তাই অনেক আগে থেকেই সব পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছে। মৃত্যু হলে কী করা হবে, কীভাবে রানিকে শেষ সম্মান জানানো হবে, কী ভাবে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবেন ব্রিটেনবাসী, সেটা ছকে ফেলেছে ব্রিটিশ প্রশাসন।
সম্প্রতি 'পলিটিকো' নামেএক সংবাদমাধ্যমে সেই তথ্য ফাঁস হয়ে গিয়েছে, আমেরিকায় যাদের সদর দফতর। ব্রিটেনের সেই বিশেষ পরিকল্পনার নাম 'অপারেশন লন্ডন ব্রিজ।' ফাঁস হওয়া সেই রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ব্রিটেনের রানির মৃত্যু হলে তার ১০ দিন পর তাঁকে সমাধিস্থ করা হবে। তাঁর পুত্র তথা উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লস ওই ১০ দিনের মধ্যে গোটা ব্রিটন পরিভ্রমণ করবেন। তারপরই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
এ ছাড়া পার্লামেন্ট ভবনে মৃ্ত্যুর পর তিন দিন ধরে শায়িত থাকবে রানির কফিন। হাজার হাজার মানুষ সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন। আর সেই আবহে শহর জুড়ে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। প্রশাসনের তরফ থেকে তারও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
যেমন এত মানুষ একসঙ্গে বেরিয়ে পড়লে ট্রাফিকের পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, তখন কী ভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা ভাবনা-চিন্তা করা হচ্ছে। এমনকি খাবারের অভাবও দেখা দিতে পারে। দেশ জুড়ে নিরাপত্তাও বাড়াতে হবে অনেক বেশি। যেহেতু বহু মানুষ ভিড় করবেন, তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
গোটা ইউকে থেকে বহু মানুষ একসঙ্গে গাড়ি নিয়ে রাজধানীর দিকে যাবেন, তাই রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। রানির মৃত্যুর পর সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হবেন প্রিন্স চার্লস। অর্থাৎ তিনিই তখন হবেন কিং চার্লস। তাই রানির মৃত্যুর চার দিন পর তিনি ঘুরে আসবেন ইউকে-র চারটি দেশে।
ব্রিটেনের সব মন্ত্রীদেরও অবগত করা আছে যে রানির মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যের দিনটি জাতীয় শোকের দিন হিসেবে পালিত হবে। উল্লেখ না থাকলেও বোঝা যাচ্ছে যে ওই দিন ছুটি থাকবে দেশ জুড়ে।












Click it and Unblock the Notifications