কন্ডোম নিয়ে বিপাকে পাকিস্তান! দাম কমানোর আবেদন প্রধানমন্ত্রীর, খরচ জোগাতে পারছে না? এ কী দুর্দশা?
পাকিস্তানে কন্ডোম এবং স্যানিটারি প্যাডের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর চেষ্টা আপাতত ব্যর্থ। এই সমস্ত পণ্যের উপরে থাকা ১৮ শতাংশ জিএসটি এখনই কমানো যাবে না বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল অর্থাৎ আইএমএফ (IMF)। ফলে দাম যেমন ছিল, তেমনই থাকছে।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের অনুরোধে পাকিস্তান সরকার আইএমএফ-এর কাছে কর কমানোর জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। কিন্তু আইএমএফ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যবর্তী সময়ে করের নিয়ম কোনওভাবেই বদলানো যাবে না। এই বিষয়ে পরের বছর অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে বাজেটের সময়েই একমাত্র সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
এখন পাকিস্তানের অর্থনীতি অনেকটাই আইএমএফের ঋণের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। দেশটি ৩৭ মাসের ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। ইতিমধ্যেই তারা কয়েক বিলিয়ন ডলার ঋণ পেয়েছে। তবে এই ঋণের বদলে আবার কর আদায় বাড়ানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সহ একাধিক কঠোর শর্তও মানতে হচ্ছে সরকারকে।
সরকারি হিসেব অনুযায়ী, শুধু কন্ডোমের উপর যদি কর তুলে নেওয়া হত তাহলে সরকারের কয়েকশো কোটি টাকার ক্ষতি হয়ে যেত। এমনিতেই রাজস্ব আদায়ে চাপ আছে। তাই আইএমএফ কর ছাড়ের জন্য রাজি হয়নি।
অথচ পাকিস্তানে জনসংখ্যা খুব তাড়াতাড়িই বাড়ছে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ নতুন করে যুক্ত হচ্ছে। তবুও জন্ম নিয়ন্ত্রণের জিনিসপত্র সস্তা করার ক্ষেত্রে আইএমএফের শর্ত অনেক বড় বাধা হয়ে দাঁড়াল। শুধুমাত্র কন্ডোমই নয়, স্যানিটারি প্যাড বা বাচ্চাদের ডায়াপারের উপর কর কমানোর প্রস্তাবও খারিজ হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications