পাকিস্তানে হুহু করে বাড়ছে গাধার সংখ্যা, হইচই সারা দেশে
ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। জঙ্গি কার্যকলাপে বিভিন্ন সময় নিশানায় থাকে ওই দেশ। কিন্তু এবার সেই দেশ এক অন্য আলোচনায়। গাধার সংখ্যা লক্ষ্মণীয়ভাবে বেড়ে গিয়েছে সেই দেশে।
গাধার সংখ্যা বেড়েছে। সেই বিষয়ে সমস্যার কথা নয়। কিন্তু বিষয় হচ্ছে, সেই দেশের বেকার সমস্যার খুব একটা বেশি উন্নতি হয়নি। সেই তিমির আরও ঘন হয়েছে। এই কথাই আন্দাজ করা হচ্ছে।

পাকিস্তান অর্থনৈতিক সমীক্ষায় দেশের দুটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, গত এক বছরে গাধার সংখ্যার অনেকটাই বেড়েছে এই দেশে। সমীক্ষা আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানে এখন ৪.৫ মিলিয়ন মানুষ বেকার।
২০২৩ - ২৪ সালে পাকিস্তান অর্থনৈতিক সমীক্ষা চালানো হয়। দেশের গাধার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য বেড়েছে। এখন ৫.৯ মিলিয়নে পৌঁছেছে সেই সংখ্যা। গত অর্থ বছরের তুলনায় ১.৭২ শতাংশ বেড়েছে। গাধার সংখ্যা বাড়লেও, পাকিস্তানের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতা প্রত্যাশিত হয়নি। চলতি অর্থবছরে অর্থনীতির বৃদ্ধি মাত্র ২.৪ শতাংশ হয়েছে। পাক সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩.৫ শতাংশ। তার থেকেও এই হার অনেকটাই কম।
সমীক্ষার ফলাফল কৃষি ও অর্থনৈতিক সূচকগুলির মধ্যে একটি বৈষম্য তুলে ধরে। গ্রামাঞ্চলে গাধার সংখ্যা বেড়েছে। কৃষিকাজে এই ঘটনা কিছুটা সুবিধা দিতেই পারে। কিন্তু বৃহৎ অর্থনৈতিক পরিসরে এই ঘটনা মোটেই সুখকর নয়।
অর্থনীতির গ্রাফ ক্রমাগত নেমে যাওয়া। উন্নয়ন, কর্মক্ষমতার জায়গায় এই ঘটনা অত্যন্ত বিপরীত দিকে রয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই অর্থনৈতিক সমীক্ষা পাকিস্তানের বৃদ্ধির একটি জটিল ছবি তুলে ধরেছে। এক দিকে কৃষিক্ষেত্রে অন্য ছবি, অপর দিকে বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্থবিরতা। গাধার সংখ্যা বৃদ্ধি পশুসম্পদ বাড়ানোর দিকটি প্রকাশ করে। বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজকর্ম বাড়ানোর দিকটির প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন।
গাধা পাকিস্তানের অর্থনীতিতে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই প্রাণী পণ্য এবং মানুষ পরিবহন, কৃষি কাজ ও অনেক পরিবারের জীবিকা নির্বাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে অপরিহার্য। রুক্ষ ভূখণ্ডে যাতায়াত করার জন্য গাধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য প্রাণী। ফলে গাধাকে এই সব কাজে লাগিয়ে আর্থিক উন্নতি হতে পারে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষায় গাধার জনসংখ্যা বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা নির্দেশ করে। অন্য দিকে, পাকিস্তান তার অর্থনৈতিক বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ধাক্কা খেয়েছে। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির হার, অস্থিতিশীল রাজস্ব ঘাটতি ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে বাধা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষুন্ন করেছে।
এছাড়াও পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ একটা অন্যতম বড় সমস্যা। দেশের মধ্যে বিদ্রোহও হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। নিরাপত্তা সম্পর্কিত ব্যয় বেড়েছে। উন্নয়ন আরও বাধার মুখে পড়েছে। কাঠামোগত দুর্বলতা, অদক্ষ আমলাতন্ত্র উৎপাদনশীলতাকে আটকে দিয়েছে। অর্থনৈতিক সম্প্রসারণকে বাধা দিয়েছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications