পাকিস্তানের পক্ষে সম্ভব নয় ভারতকে কাশ্মীর ইস্যুতে জবাব দেওয়া! সিআরএস রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি
পাকিস্তানের পক্ষে সম্ভব নয় ভারতকে কাশ্মীর ইস্যুতে জবাব দেওয়া! সিআরএস রিপোর্টে এলো চাঞ্চল্যকর দাবি
জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতে গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে ইতিমধ্যে সাহায্য চেয়ে বসে রয়েছে ইসলামাবাদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কার্যত মাথা ঝুঁকিয়ে দিয়েছে ইমরান সরকার। যেকোনও প্রকারে কাশ্মীর নিয়ে মার্কিন সাহায্য চাইলেও , পাকিস্তান রাজনৈতিক পথে বা কূটনৈতিক পথে, কোনওভাবেই জবাব দিতে পারবে না ভারতকে। এমনই তথ্য জানিয়েছে কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস।

ইসলামাবাদ কেন জবাব দিতে পারবে না দিল্লিকে, জানাল সিআরএস
ছয় মাসের মধ্যে কাশ্মীর প্রসঙ্গে রিপোর্ট পেশ করেছে সিআরএস। সেই রিপোর্ট কাশ্মীরের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান কেন জবাব দিতে পারবে না ভারতকে তার ব্যখ্যা করা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে , যে অবস্থায় এখন রয়েছে পাকিস্তানের সেনা, তা নিয়ে কোনও রকমের 'মিলিটারি অ্যাকশন' সম্ভব নয় ইসলামাবাদের পক্ষে। তাই কূটনৈতিক পথ ছাড়া পাকিস্তানের জবাব দেওয়ার আর কোনও রাস্তা নেই।

সিআরএস সম্পর্কে কিছু তথ্য
কাশ্মীর নিয়ে যে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে দরবার করেছে পাকিস্তান , সেই ট্রাম্পের দেশের সংস্থা সিআরএস। মার্কিন কংগ্রেসের একটি গবেষণা মূলক দিক হল কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস। এই সংস্থা মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের সাহায্য করার জন্য বিভিন্ন রকমের তথ্য প্রদান করে থাকে। আর সেই সংস্থাই এবার পাকিস্তানের দুর্বলতার কথা কাশ্মীর ইস্যুতে প্রকাশ্যে এনে দিল।

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান কোন পথে এগিয়ে যেতে পারে?
ইসলামাবাদ এই মুহূর্তে কেবল কূটনৈতিক পথেই এগিয়ে যেতে পারে কাশ্মীর ইস্যুতে। কারণ ,তুরস্ক এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সমর্থনে এসেছে। ফলে তাদের দিয়ে বিশ্ব মঞ্চে কাশ্মীর ইস্যু খানিকটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে ইমরান সরকার। অন্যদিকে, মানবাধিকার ইস্যুতে চিন খানিকটা বিশ্ব আঙিনায় ব্যাকফুটে চলে যাওয়ায় , বেজিংকে পাশে পেলেও লাভের লাভ হবে না পাকিস্তানের। এমন পরিস্থিতিতে কূটনৈতিকভাবে ইসলামাবাদ হাতিয়ার করতে পারে সৌদিকে। কারণ , নাগরিকত্ব ইস্যুতে ভারতের সিএএ -কে সামনে রেখে সৌদি ভারত সম্পর্ক যদি মন্দার দিকে যায়, তাহলেই লাভ হবে পাকিস্তানের।

সিআর এর ও মার্কিন-ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক
সিআরএস-র তরফে বহুবার জানানো হয়েছে, যে কাশ্মীরে যে সমস্ত বিধি নিষেধ লাগু করা হয়েছে, তা অবিলম্বে সরানো হোক। কাশ্মীরের মানবাধিকার নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি । এছাড়াও সিআরএস-র রিপোর্ট বলছে, ভারতের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক ক্রমেই ভালো হচ্ছে। অন্যদিকে, বিশ্বাসঘাতকতার জেরে পাকিস্তান ও মার্কিন সম্পর্কের আকাশে রয়েছে ধোঁয়াশার মেঘ।












Click it and Unblock the Notifications