Hamas Leader Yahya Sinwar Death: গাজায় পণবন্দি প্রিয়জনেরা, হামাস প্রধান খুন হতেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে পরিবারের
Hamas Leader Yahya Sinwar Death: ইজরায়েলি সেনার (Israeli Army) হাতে খতম হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার। হামাসের বিরুদ্ধে বড় সাফল্যে ইজরায়েলে খুশির হাওয়া। কিন্তু হামাস প্রধানের মৃত্যুতে কপালে চিন্তার ভাঁজ গাজায় পণবন্দি (Hostages) ইজরায়েলি নাগরিকদের পরিবারের। পণবন্দি প্রিয়জনেরা আরও বড় বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন বলে আশঙ্কা তাদের।
বৃহস্পতিবারই ইজরায়েলি সেনাবাহিনী হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের (Yahya Sinwar Death) মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। গত অক্টোবরে ইজরায়েলের উপর ভয়াবহ হামলা এবং গাজায় যুদ্ধের (Gaza War) সূত্রপাতের নেপথ্যের নায়ক এই ইয়াহিয়া সিনওয়ার। বুধবার দক্ষিণ গাজায় অভিযান চালিয়ে তাকে খতম করেছে ইজরায়েলি সেনা।

গাজায় যুদ্ধের পর থেকেই ইজরায়েলি নাগরিকদের অপহরণ শুরু করে হামাস। তাঁদের পণবন্দি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস জঙ্গিরা। বেশকয়েকজন পণবন্দিকে নৃশংসভাবে খুনও করে হামাস। দেশের নাগরিকদের দেহ শনাক্ত করে ইজরায়েল। সেনাবাহিনী কিছু করে ওঠার আগেই একের পর এক ইজরায়েলি নাগরিককে অপহরণ করে খুন করে হামাস।
প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে (Benjamin Netanyahu) হামাসের সঙ্গে সমঝোতায় আসার ও যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করার আর্জি জানান নিহতের পরিবারেরা। কিন্তু যুদ্ধ থেকে সরে আসেননি তিনি। হামাসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেয় নেতানিয়াহুর দেশ। আর এবার হামাস প্রধানের মৃত্যুতে ফের একবার পণবন্দিদের উপর নির্মম অত্যাচার নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা পরিবারদের।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামাসের হামলার সময় কিব্বুটজ এলাকায় বাড়ি থেকে বছর চব্বিশের যুবককে তুলে নিয়ে যায় জঙ্গিরা। হামাস প্রধানের মৃত্যুর খবর আসার পর এদিন ওই যুবকের মা ইনভ জ্যানগউকার বলেন, "সিনওয়ার হত্যায় সাফল্য পেয়েছে সেনা। কিন্তু এর জেরে আমার ছেলেসহ বাকি পণবন্দিরা আরও বড় বিপদের সম্মুখীন হবে।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা যদি আমাদের নাগরিকদের না বাঁচাতে পারি, বা হামাসের কবজা থেকে তাঁদের দেশে না ফিরিয়ে আনতে পারি, তাহলে হামাসের বিরুদ্ধে সাফল্য কোনওদিনও আসবে না।"
এখনও পর্যন্ত ১১৭ জন পণবন্দিকে ইজরায়েলে ফিরিয়ে জীবন্ত অবস্থায় আনা সম্ভব হয়েছে। গাজার যুদ্ধের সময়ই ৪ জন পণবন্দিকে মুক্তি দেয় হামাস। এদের মধ্যে সিংহভাগই মহিলা ও শিশুরা ছিলেন। গত নভেম্বরে মুক্তি পান বিদেশি নাগরিকরাও। এছাড়াও ৮ জন পণবন্দিকে ইজরায়েলি সেনা উদ্ধার করে।
হামাসের হাতে নৃশংসভাবে খুন হতে হয় ৩৭ জন পণবন্দিকে। এখনও পর্যন্ত ১০১ জন ইজরায়েলি নাগরিককে আটকে রাখা হয়েছে সেদেশে। ইজরায়েলের প্রশাসন জানিয়েছে, পণবন্দিদের অর্ধেক মানুষ এখনও জীবিত অবস্থায় রয়েছে বলে অনুমান।












Click it and Unblock the Notifications