মধ্যরাতে চলছে গুলি, পড়ছে বোমা! কোন 'যুদ্ধে'র মহড়া? পাকিস্তান-আফগানিস্তানকেও হার মানাচ্ছে ইউনূসের নতুন বাংলাদেশ
Bangladesh: ইউনূসের বাংলাদেশে ভয়ঙ্কর কাণ্ড! ব্যস্ততম রাস্তায় একেবারে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া একদল দুষ্কৃতীর। খুলনা মহানগরের সাতরাস্তা মোড়ে রাত ১১ টার পর এই ঘটনা ঘটেছে। জানা যাচ্ছে, একেবারে ফাঁকা গুলি ছুড়ে দুষ্কৃতীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণও ঘটায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় মানুষজনও।
শুধু তাই নয়, প্রকাশ্যে এভাবে দুস্কৃতীদের অস্ত্রের আস্ফালন শুরু হতেই অনেকেই ছোটাছুটি শুরু করে দেন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও কাউকে এখনও চিহ্নিত করা কিংবা ধরা সম্ভব হয়নি ঘটনাস্থল থেকে একাধিক গুলির খোলস পুলিশ উদ্ধার করেছে।

ঘটনার পর রাতেই বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এমনকী আজ শনিবার সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশ সেনা টহল দিচ্ছে বলেও খবর। তবে কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সে দেশের নাগরিক সমাজ। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা কতটা খারাপ তা নিয়েও সরব ওপারের মানুষ।
এমনকী আফগানিস্তান-পাকিস্তানে যে ছবি দেখা যায় তা বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি। বলে রাখা প্রয়োজন, ]খুলনা নগরের সাতরাস্তা মোড়টিতে প্রায় সারা রাতই মানুষজন থাকে। শুক্রবার রাতে তেমনই ভিড় ছিল মানুষের। ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার পরিবহন কাউন্টার আছে। ফলে সারা রাত ধরেই যাত্রীদের ভীড় থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, শহরের শান্তিধাম মোড় থেকে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেল করে একদল যুবক সাতরাস্তা মোড়ে আসে। তাদের সবার হাতে অস্ত্র ছিল।
স্থানীয় মানুষজন বলছেন, বেশ কয়েকজন যুবক হঠাত করে মোটরসাইকেল থেকে নেমে উল্লাস প্রকাশ করতে শুরু করে। এমনকী গুলি ছুড়তে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা সেখানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায় বলেও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ঘটনার পরেই স্থানীয় পুলিশ জানাচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুত তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার পর নগরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, শেখ হাসিনা সরকারের পতন হতেই বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নের মুখে। প্রকাশ্যে চলছে দুষ্কৃতীরাজ। এমনকি মহিলাদের নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে। ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে ওপার বাংলায়। সব কিছু জেনে শুনেও চোখ বন্ধ ইউনূসের। যা নিয়ে দেশের মধ্যেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। এরপরেও শক্ত হাতে রাশ ধরতে ব্যর্থ নোবেলজয়ী।












Click it and Unblock the Notifications