কারচুপি করেছেন নওয়াজ শরিফ ও মেয়ে মরিয়ম! হাইকোর্টে অভিযোগ ইমরান খানের দলের
নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ। তাদের অভিযোগ, পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজ সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ এবং তাঁর মেয়ে মরিয়ামের বিরুদ্ধে। শনিবার তারা লাহোর হাইকোর্টে পিএমএল-এন নেতাদের জয়কে চ্যালেঞ্জ করেছে।
ইমরানের দল পিটিআই বলেছে, নির্বাচন কমিশন ভোট গণনার সময় সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করেনি। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীরা দাবি করেছেন, পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন জাল ফলাফলের ভিত্তিতে নওয়াজ ও মরিয়মকে জয়ী ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ করা প্রয়োজন, নির্বাচন কমিশন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পিটিআই-এর কাছ থেকে তাদের প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট ছিনিয়ে নিয়েছিল। তারপরেও বিপুল সংখ্যক আসনে তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়ন জমা দেন এবং নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নওয়াজ শরিফ জাতীয় পরিষদের ১৩০ নম্বর আসন থেকে পিটিআই সমর্থিক ইয়াসমিন রশিদের বিরুদ্ধে ১,৭২,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ইয়াসমিন পেয়েছিলেন ১,১৩,০০ ভোট। অন্যদিকে মরিয়ম নওয়াজ পিটিআই সমর্থিত ফারুক শাহজাদার বিরুদ্ধে জাতীয় পরিষদের ১১৯ নম্বর আসন থেকে ৮৩ হাজার ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
হাইকোর্টে একজন আবেদনকারী বলেছেন, তিনি ফর্ম ৪৫ অনুযায়ী শরিফের বিরুদ্ধে জিতেছেন। পরে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন ফর্ম ৪৭ জারি করে নওয়াজ শরিফকে জয়ী ঘোষণা করে। একইভাবে ফারুক শাহজাদা দাবি করেছেন, ভোট কেন্দ্রের ফর্ম ৪৫ অনুযায়ী মরিয়ম ও হেরেছিলেন। কিন্তু তাঁকে ফর্ম ৪৭-এর মাধ্যমে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
এখানেই শেষ নয়, পিটিআই সমর্থিত আরেক পরাজিত প্রার্থী মুলতানে পিপিপির প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির জয়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন। জেলবন্দি পাকিস্তানের পূর্বতম বিদেশমন্ত্রী মাহমুদ কুরেশির মেয়ে শাহর বানোও তাঁর পরাজয়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন।
পাকিস্তানের নির্বাচনে ফর্ম ৪৫ হল, গণনার ফলাফলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কোনও ভোট কেন্দ্রের ভোটদানের ফল নথিভুক্ত করে এই ফর্ম ৪৫।












Click it and Unblock the Notifications