চিরতরে বন্ধ ইরাক যুদ্ধের রক্তঝরা স্মৃতির পাতা, প্রয়াত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মূল কারিগর ডোনাল্ড রামসফেল্ড
চিরতরে বন্ধ ইরাক যুদ্ধের রক্তঝরা স্মৃতির পাতা, প্রয়াত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মূল কারিগর ডোনাল্ড রামসফেল্ড
অবশেষে চিরতরে যেন বন্ধ হল ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের রক্তঝরা স্মৃতির পাতা। মারা গেলেন ইরাক যুদ্ধের মূল কারিগর দুইবারের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ড। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের মন্ত্রিসভায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন বরিষ্ঠ মার্কিন কূটনীতিক।

সূত্রের খবর, ১৯৭৫ সালে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হয়েও আমেরিকার রাজনীতির ইতিহাসে নয়া রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলেন রামসফেল্ড। গেরাল্ড ফোল্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। এমনকী প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের অধীনে দায়িত্ব পালন করার সময়, ৯/১১ হামলার পর তথাকথিত 'সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের’ অন্যতম সমর্থক বা প্রবক্তা ছিলেন এই রামসফেল্ড।
সহজ কথায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আক্রমণের পর বুশ প্রশাসন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা করে। বুশের আমলেই ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ফের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পান রামসফেল্ড। আর তখনই আফগানিস্তানে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বুশ প্রশাসন। যার প্রধান কারিগর ছিলেন রামসফেল্ড। ওই হামলার তিন বছর পর নিজেই পদত্যাগ করেন রামসফেল্ড। তবে তিনি নিজেই নিজের ওই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল বলে দাবি করেন।
বুধবার রামসফেল্ডের পরিবার জানায়, নিউ মেক্সিকোর টাওস শহরে নিজের বাড়িতেই মারা গেছেন এই বরিষ্ঠ মার্কিন কূটনীতিক।এদিকে রামসফেল্ড বরাবরই বুশের সমর্থক ছিলেন বলে জানা যায়। শেষ জীবনেও রিপাবলিকানদের হয়ে প্রচার করেছেন। ১৯৩২ সালে শিকাগোয় জন্ম তাঁর। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে ১৯৫৪ থেকে ’৫৭ সাল পর্যন্ত মার্কিন নেভিতে কাজ করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications