ফাঁস হয়ে যাচ্ছে ইউনূসের কীর্তি! শেখ হাসিনার মুখ বন্ধ করতে বড় প্ল্যান বাংলাদেশ সরকারের
Sheikh Hasina: হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার এবং একাধিক ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh)! গ্রেফতার করে বিনা বিচারে কার্যত জেলে রাখা হয়েছে ইসকনের সন্নাসী চিন্ময় প্রভুকে। কার্যত বিশ্বের সামনে মুখ পুড়ছে নোবেলজয়ী ইউনূসের (Muhammad Yunus)। এই অবস্থায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ বন্ধ করতে উঠে পড়ে লাগল সে দেশের অন্তর্বতী সরকার।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে লাগাতার সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা (Sheikh Hasina)। আর সেই বক্তব্য একেবারেই বিদ্বেষমূলক বলে মনে করছে সে দেশের সরকার (Bangladesh Govt)।

আর তা বন্ধ করতে চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (International Crimes Tribunal) আবেদন করেছে সরকার। এই বিষয়ে সরকারি আইনজীবীদের সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে খবর। এরপরেই প্রসিকিউশন টিম সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এই সংক্রান্ত আবেদন জানিয়েছে। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় নয়, সংবামাধ্যমেও যাতে শেখ হাসিনার কোনও বক্তব্য না দেখানো হয় সেজন্যেও আদালতে আবেদন জানানো হয় বলেই খবর।
সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজঙ্গা জারি করেছে বলে খবর।
বলে রাখা প্রয়োজন, বর্তমানে ভারতের নিরাপত্তাবলয়ে দিল্লিতে এক গোপন স্থানে রয়েছেন শেখ হাসিনা। আর সেখানে থেকেই লাগাতার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থার ছবি তুলে ধরছেন। একই সঙ্গে নোবেলজয়ীকেও তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি বলেন, "বাংলাদেশে গণহত্যার জন্য আমাকে দায়ী করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে গণহত্যার ষড়যন্ত্রের মূল চক্রী হলেন মহম্মদ ইউনূস। ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়কদের সঙ্গে মিলিতভাবে ওই ষড়যন্ত্র করেছেন ইউনূস।" সম্প্রতি চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করা নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া সমালোচনা করে পোস্ট করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। একের পর এক বিস্ফোরক পোস্ট ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছে অন্তবরতী সরকারের!
বলে রাখা প্রয়োজন, গত ১৮ নভেম্বর জুলাই-আগস্টে গণহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (International Crimes Tribunal) । এই সংক্রান্ত রিপোর্ট আগামী ১৭ ডিসেম্বর আদালতে জমা পড়বে। তার আগেই নয়া আবেদন সরকারের। যা খবর, চলতি মাসেই হাসিনাকে নিজেদের হাতে পেতে চেয়ে ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানাবে বাংলাদেশ সরকার।












Click it and Unblock the Notifications