বিশ্বের খুব কম দেশেই বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে, দাবি সেদেশের বিদেশমন্ত্রীর
বিশ্বের খুব কম দেশেই বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে, দাবি সেদেশের বিদেশমন্ত্রীর
বুধবার রাজ্য়য়ভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হতেই এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী একে আবদুল মেমন। তিনি বলেন, 'ভারত ঐতিহাসিকভাবে একটি সহনশীল দেশ। ভারত চিরকাল ধর্মনিরপেক্ষতার উপর বিশ্বাস করে এসেছে। তবে তারা সেই পথ থেকে সরে এলে তাদের ধর্মনিরপেক্ষতার উপর প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেবে।'

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তোপ
বুধবার রাজ্য়য়ভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হতেই এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী একে আবদুল মেমন। তিনি বলেন, 'ভারত ঐতিহাসিকভাবে একটি সহনশীল দেশ। ভারত চিরকাল ধর্মনিরপেক্ষতার উপর বিশ্বাস করে এসেছে। তবে তারা সেই পথ থেকে সরে এলে তাদের ধর্মনিরপেক্ষতার উপর প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেবে।'

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক
এরপর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ভারতে নিজের অনেক অভ্যন্তরীণ ঝআমেলা রয়েছে। ভারত সেগুলোকে মেটাক। সেগুলি আমাদের মাথা ব্যথার কারণ নয়। তবে আমরা আশা করছি যে ভআরত এমন কিছু করবে না যাতে আমাদের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভেঙে যায়।'

রাজ্যসভায় পাশ হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল
বুধবার দীর্ঘ আট ঘণ্টার আলোচনার পর রাজ্যসভায় পাশ হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৯। পক্ষে ভোট পড়ে ১২৫টি, বিপক্ষে ১০৫টি। এর আগে সোমবার লোকসভায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে পাশ করে এই বিল। এদিকে বিলে পাশে নিজেদের খুশি জাহির করেন পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীরা। বুধবার এই বিল পাশ হতেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়ে দেন বাংলা সহ সারা দেশে নাগরিকত্ব বিল ও এনআরসি চালু হবে।

বিলের স্বপক্ষে যুক্তি অমিত শাহের
এর আগে লোকসভায় বিলের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে অমিত শাহ বলেছিলেন, '১৯৫০ সালে নেহরু-লিয়াকত চুক্তি সই হয়। তখন নিজেদের দেশে সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। তবে এত বছরে আমাদের প্রতিবেশী দেশে হিন্দু, শিখ সহ সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমাগত অত্যাচার চলেছে। ১৯৭১-র পরেও বাংলাদেশে সেখানের সংখ্যালঘুদের খুঁজে খুঁজে মারা হয় ও সেখানে অত্যাচার চলে। তা হলে কী আমরা তাদের উপর অত্যাচার হতে দেব?'

বিলের শর্ত
সদ্য পাশ হওয়া বিলটিতে বিলে শর্ত দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে যে সমস্ত অমুসলিম শরণার্থীরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের প্রত্যেককেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ, হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, পারসি বা জৈন ধর্মের যেই লোকেরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে থেকে ভারতে বসবাস করেছেন, তারা ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন।












Click it and Unblock the Notifications