মায়ানমারের পাশ দিয়ে ভারতের ভূখণ্ডের দিকে চিনের গুপ্তচর জাহাজ Chen Jingrun
মায়ানমারের পাশ দিয়ে ভারতের ভূখণ্ডের দিকে চিনের গুপ্তচর জাহাজ Chen Jingrun
ফের ভারত মহাসাগরে চিনের 'গুপ্তচর' জাহাজ! শুধু তাই নয়, সেটি ক্রমশ ভারতীয় ভুখন্ডের দিকে এগিয়ে আসছে। এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের। আর সেই সংবাদমাধ্যমের দাবি, নয়া চিনের গুপ্তচর জাহাজটির নাম Chen Jingrun। যেটি ২০১৬ সালে জলে কমিউনিস্ট চিন নামায়। আর এরপর থেকেই নানা ভাবে এই জাহাজ চিনের হয়ে গুপ্তচরের কাজ করে আসছে। এবার সেই জাহাজ ঘিরেই উদ্বেগ বাড়ছে ভারত।

ভারতীয় ভুখন্ডের আশেপাশে
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, Chen Jingrun মায়ানমার উপকূল হয়ে ভারতীয় ভুখন্ডের আশেপাশে রয়েছে। গত সপ্তাহে সেটি EEZ অর্থাৎ Exclusive Economic Zone -এর কাছে ছিল বলেও দাবি সংবাদমাধ্যমের। এমনকি এখনই সেই এলাকাতেই চিনের এই গুপ্তচর জাহাজ রয়েছে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। প্রতি মুহূর্তে এই জাহাজের উপর ভারত নজর রাখছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে এই জাহাজটি ঘোরাফেরা করছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ভারত মহাসাগরে দাদাগিরি কমিউনিস্ট চিনের
এমন উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নতুন নয়। এর আগেই একাধিকবার এমন গুপ্তচর জাহাজ ভারত মহাসাগরে পাঠিয়েছে কমিউনিস্ট চিন। মাসখানেক আগেই শ্রীলঙ্কার একটি বন্দরে ঘাঁটি গেড়েছিল চিনের গুপ্তচর জাহাজ 'ইউয়ান ওয়াং ৫' চিনের তরফে এই ধরনের জাহাজগুলিকে সাধারণ সার্ভে জাহাজ বলে ব্যাখ্যা করলেও কয়েক হাজার কিমি পর্যন্ত সহজেই নজরদারি চালাতে পারে এগুলি। মাসখানেক আগে লঙ্কা বন্দরে থাকা 'ইউয়ান ওয়াং ৫' এর র্যাডারে ভারতের পরমাণু ঘাঁটি ছিল। আর সেটাই ছিল উদ্বেগের কারণ।

Chen Jingrun কতটা শক্তিশালী
আর সেই উদ্বেগ মিটতেই দিন ১৫ আগে আরও একটি চিনের গুপ্তচর জাহাজ ভারত মহাসাগরে ঘাঁটি তৈরি করেন। আর এর মধ্যেই চিনের নয়া উদ্বেগ Chen Jingrun। এই জাহাজটি নাম চিনের একটি বিজ্ঞানীর নামে রাখা হয়েছে। এই জাহাজটি অন্যতম অত্যাধুনিক। এতে নানা ধরণের নজরদারি চালানোর ক্ষমতা রয়েছে। ৬০০০ টনের এই জাহাজে ১০০ জন ক্র' মেম্বার থাকতে পারে। Chen Jingrun আসলে Type 636A hydrographic survey ship। অন্যতম বড় জাহাজ এটি। পায় ১২০ মিটার লম্বা। এক টানা দুমাস গভীরে সাগরে থাকার ক্ষমতা আছে এটিতে।

মহাসাগরে আস্ফালন দেখিয়েছে চিন
সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েকমাসে একাধিকবার ভারত মহাসাগরে আস্ফালন দেখিয়েছে চিন। ভারতের উদ্বেগকে কর্ণপাত না করেই একের পর এক চিনের জাহাজ। যা মোটেই বিশ্লেষকরা ভালো চোখে দেখছেন না। এমন দাদাগিরি আগামিদিনে সাগরে আদিতপত্য আরও বাড়াবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। এমনকি আগামদিনে চিনের সাবমেরিনের নজরদারিও আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications